আস্থার প্রতিদান দিলেন নাহিদ রানা। শরিফুল ইসলামকে সাথে নিয়ে জেতালেন পেশোয়ারকে। যে ভরসায় তাদের একটা দিন বেশি ধরে রেখেছিল দলটা, তার প্রতিদান দিলেন বল হাতে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) করাচিতে মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে ২৪ রানের জয় পেয়েছে পেশোয়ার জালমি। এই জয়ে বড় ভূমিকাই রেখেছেন শরীফুল ও নাহিদ।
নাহিদ ২৪ রান খরচায় নিয়েছেন ২ উইকেট। কোনো উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়েছেন শরিফুল। তবে তাদের বড় অবদান ছিল স্লগ ওভারে।
৪ ওভারে যখন ৪৬ রান প্রয়োজন মুলতানের, তখন দু’জনে মিলে ৩ ওভারে খরচ করেন মাত্র ১৩ রান। যা বদলে দেয় ম্যাচের ভাগ্য। ১৯৬ রান তাড়ায় ১৭২ করে থেমে যায় মুলতান।
সব মিলিয়ে প্রথমবার পিএসএল খেলতে গিয়ে ভালোই করেছেন রানা। ৪ ম্যাচে ৭ উইকেট শিকার তার। ওভারপ্রতি খরচ ৫.৪২ রান। এক ম্যাচ বেশি খেলা শরীফুল ৭.৯৩ ইকোনমিতে নিয়েছেন ২ উইকেট।
তবে গতরাতেই ছিল চলতি পিএসএলে তাদের শেষ ম্যাচ। আজ দু’জনেরই দেশে ফেরার কথা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের বাংলাদেশ দলে আছেন তারা।
ফেরার আগে অবশ্য দলকে ভালো অবস্থায় রেখে এসেছেন তারা। ছয় ম্যাচ খেলে এখনো অপরাজিত পেশোয়ার ১১ পয়েন্ট নিয়ে আছে সবার ওপরে। সমান ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে মুলতান দুইয়ে।
সোমবার করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় পেশোয়ার। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪০ বলে ৬৮ রান করেন কুশল মেন্ডিস। এছাড়া ১৭ বলে ৩৮ রানের ক্যামিও খেলেন মোহাম্মদ হারিস। আর ২২ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেলেছেন ফারহান ইউসুফ। বল হাতে পিটার সিডল ও মোহাম্মদ ইসমাইল নেন ২টি করে উইকেট।
রান তাড়ায় ৮ উইকেটে ১৭২ রান করতে পারে মুলতান। ১৯ বলে সর্বোচ্চ ৩৫ রান শান মাসুদের। পেশোয়ারের বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার সুফিয়ান মুকিম ৩০ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।
৫ বলে ৪ রান করা আরাফাত মিনহাসকে নিজের প্রথম শিকার বানান নাহিদ রানা। পরে ৮ বলে ৪ রান করা মোহাম্মদ ওয়াসিমকেও ফিরিয়েছেন তিনি।



