অবিশ্বাস্য বোলিং করেছেন নাহিদ রানা। নিজের ৬০ বলের ৫৯টিই করেছেন ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে! বাংলাদেশ ক্রিকেটে যা আগে দেখা যায়নি, বিশ্ব ক্রিকেটেও বিরল ঘটনা।
এমন দারুণ বোলিংয়ের পুরস্কারও পেয়েছেন নাহিদ রানা। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বার ৫ উইকেট পেয়ে গেছেন তিনি। গতকাল সোমবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩২ রানে নেন ৫ উইকেট।
তার এমন বিধ্বংসী বোলিংয়ে দাপুটে জয়ও পেয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ওয়ানডে হেরে সিরিজ শুরু করলেও গতকাল ৬ উইকেটে জিতেছে টাইগাররা। সিরিজে ফিরেছে ১-১ সমতা।
সোমবার মিরপুরে আগে ব্যাট করে ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় কিউইরা। জবাবে ৩৫.৩ ওভারে জিতে যায় বাংলাদেশ। যা বলের হিসেবে কিউইদের বিপক্ষে দ্বিতীয় বড় জয়।
স্বাভাবিকভাবেই নাহিদ রানা জিতেছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। সব মিলিয়ে তাকে ঘিরে গতকাল উচ্ছ্বসিত ছিল ক্রিকেটপাড়া। তবে সেই সাথে দেখা দেয় নতুন শঙ্কাও- এই গতি ধরে রাখতে পারবেন তো রানা?
ক্রিকেটে যে কোনো পেসারের বড় শত্রু চোট। হঠাৎ ইনজুরিতে পেসারদের খেই হারানোর নজির আছে অনেক। তবে নাহিদ রানা জানালেন এই অমোঘ সত্য মেনে নিয়েই তিনি পথ চলছেন।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে জানান, গুলি লাগার ভয়ে যুদ্ধে না যাওয়ার মতো মানুষ তিনি নয়। বলেন, ‘আপনি যদি যুদ্ধে নামেন, তবে গুলি তো আপনার গায়ে লাগবেই। সেই রকম যদি ক্রিকেট খেলেন তো ইনজুরি আসবেই, ইনজুরিতে পড়বেন এটা স্বাভাবিক। অবশ্যই ইনজুরি কখনো বলে-কয়ে আসে না।’
পাশাপাশি ইনজুরি থেকে বেঁচে থাকার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার কথাও জানান তরুণ পেসার। জানান, ফিজিওর সাথে আলাপ করেই চলছেন তিনি। বলেন, ‘বিসিবিতে যারা ফিজিও আছেন, ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট দেখার দায়িত্বে যারা আছেন, তারা অবশ্যই দেখেন যে কোন ম্যাচ বা কয়টা ম্যাচ খেলব। তারাই সার্বিক দিক দেখভাল করেন আমাদের পেস বোলারদের।’


