অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয় পাকিস্তানের

তিন ম্যাচের সিরিজ আফ্রিদির দল জিতল ২-১ ব্যবধানে। প্রথম দুই ম্যাচের মতো বোলাররাই গড়ে দিলেন ম্যাচের ভাগ্য।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা
পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা |নয়া দিগন্ত

জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করেছিল পাকিস্তান। যদিও ঘুরে দাঁড়াতে সময় নেয়নি অজিরা। পরের ম্যাচে স্বাগতিকদের দেয় বড় ধাক্কা। সেই ধাক্কা সামলে শেষ ম্যাচ জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিল পাকিস্তান।

তৃতীয় ওয়ানডেতে পাকিস্তানের জয় ৪ উইকেটে। তিন ম্যাচের সিরিজ আফ্রিদির দল জিতল ২-১ ব্যবধানে। প্রথম দুই ম্যাচের মতো বোলাররাই গড়ে দিলেন ম্যাচের ভাগ্য।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) লাহোরে আগে ব্যাট করতে নেমে জশ ইংলিসের ফিফটিতে ২ উইকেটে ৯৮ রান নিয়ে ভালো অবস্থানে ছিল অজিরা। কিন্তু এরপর ব্যাটিং ধসে তারা গুটিয়ে যায় ১৫৭ রানে।

জবাবে একপর্যায়ে পাকিস্তানের স্কোর হয়ে যায় ৬ উইকেটে ১১২। সেখান থেকে সপ্তম উইকেটে শাদাব খান ও আব্দুল সামাদের ৪৯ রানের জুটিতে ৪৯ বল হাতে রেখে জিতে যায় স্বাগতিকরা।

ছোট লক্ষ্য তাড়ায় তৃতীয় ওভারে সাহিবজাদা ফারহানকে (৬) হারায় পাকিস্তান। আরেক ওপেনার মাজ সাদাকাত থামেন ২৬ বলে ২৭ রান নিয়ে। টিকতে পারেননি ঘাজি ঘোরিও (৮)।

৬০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর ৩৩ রানের জুটিতে দলকে টানেন বাবর আজম ও সালমান আগা। এই দুজনকেই ফেরান বাঁহাতি স্পিনার ম্যাথু কুনেমান। বাবর করেন ৮৪ বলে ৪০ রান।

সালমান আউট হন ১৫ রান নিয়ে।এরপর আরাফাত মিনহাসের দ্রুত বিদায়ে বিপদে পড়ে যায় পাকিস্তান। তবে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান শাদাব ও সামাদ।

শাদাব ৪২ বলে ২৯ ও সামাদ ৩০ বলে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন। তাদের জুটিতেই ৪২তম ওভারে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে পাকিস্তান ও সিরিজ জিতে নেয়।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে জশ ইংলিশ ছাড়া কেউই প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। তার ব্যাটে আসে সর্বোচ্চ ৭১ বলে ৬৫ রান। বাকি সবাই হয়েছেন ব্যর্থ। দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর ১৯।

মার্নাস লাবুশানে ও এলেক্স ক্যারি সমান ১৯ রান করেন। ১০ রান করেন অ্যাডাম জাম্পা। শাহিন আফ্রিদি ৩০ রানে ৩, আবরার আহমেদ ও শাদাব খান নেন দুটো করে উইকেট।