ফুটবল উন্নত দেশ স্কটল্যান্ড। বিশ্বকাপ ফুটবলেরও পুরনো সাথী। সেই ১৯৫৪ সাল থেকে খেলে আসছে বিশ্বকাপ। এ পর্যন্ত আটবার তারা বিশ্বকাপে খেলেছে। এবার নিয়ে ৯ বার। সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে খেলেছিল বিশ্বকাপে। তবে ইংল্যান্ডের পাশের এই দেশটির এখন পর্যন্ত প্রথম রাউন্ডের গণ্ডিই পেরুনো হয়নি। মানে প্রতিবারই তাদের বিদায় নিতে হয়েছিল গ্রুপ পর্ব থেকে। ২৮ বছর পর এবার ফের তারা বিশ্ব ফুটবলের মহাযজ্ঞে। তবে এবার আর গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে পড়া নয়। এবার ইতিহাস গড়েই বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে চায় তারা। স্কটল্যান্ড থেকে আসা ফুটবল সমর্থকরা নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে জানান এই আশাবাদের কথা।
৪৫ বছরের ফুটবল দর্শক জোনাথন। সাথে তার বন্ধু লরি। এসেছেন স্কটল্যান্ডের রাজধানী গ্লাসগো থেকে। জানান, আমরা এবার আমাদের দলকে দেখতে চাই কমপক্ষে দ্বিতীয় রাউন্ডে। আর নক আউট পর্বের আগেই বাড়ি ফেরা নয়। আশা করি এবার আমরা ইতিহাস গড়ে নক আউট পর্বে যেতে চাই।’ গ্লাসগো থেকে এক ফ্লাইটে এসেছেন ৪৫ জনের মতো স্কটিশ ফুটবলপ্রেমী। পুরো পরিবারসহ এসেছেন কয়েকজন। এক দম্পতির সাথে দেড় বছরের শিশুও। তাদের পোশাকেই প্রমাণ দিচ্ছিল তারা যে স্কটিশ। বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন ক্রস করার সময়ই তাদের সাথে কথা বলা।
আমি বাংলাদেশী পরিচয় দিতেই জোনাথনের জবাব, হ্যাঁ বাংলাদেশ সম্পর্কে আমি জানি। আমার বাংলাদেশী বন্ধু আছে। আর বাংলাদেশ তো ক্রিকেটে খুব ভালো।
এবারের বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ড পড়েছে ‘সি’ গ্রুপে সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, গতবারের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো এবং ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে আসা হাইতি। ১৪ জুন সকালে বোস্টনে এই হাইতির মুখোমুখি স্কটল্যান্ড। এরপর ২০ জুন মরক্কো এবং ২৫ জুন ব্রাজিলের বিপক্ষে এই ইউরোপিয়ান দেশটি।
১৯৯৮ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ড শেষ ম্যাচে মরক্কোর কাছে শূন্য তিন গোলে হেরেছিল তারা। এ ছাড়া ব্রাজিলের কাছে ১- ২ গোলে হার। আর নরওয়ে সাথে ১-১ গোলে ড্র করা। এবারো তাদের সাথী সেই ব্রাজিল ও মরক্কো। নতুন যোগ হয়েছে ক্যারিবিয়ান দ্বীপ রাষ্ট্র হাইতি। এখন অপেক্ষায় থাকা। আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেয়া এই দর্শকরা কি তাদের ফুটবল টিমকে এবার নক আউটে দেখতে পারবে।



