বিশেষ সংবাদদাতা
- ব্যয় ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা
- বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে ১১৩ মেগাওয়াট
- ২৮.৮ লাখ হেক্টর জমি সেচ সুবিধায় আসবে
দীর্ঘ প্রতীক্ষা, একাধিক দফা পেছানো এবং নীতিগত পর্যায়ের পর্যালোচনার পর অবশেষে ফাইলমুক্ত হয়ে সরকারের অনুমোদন পেল বহুল আলোচিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী ব্যবস্থাপনা, কৃষি উৎপাদন, লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে যুগান্তকারী পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ মেয়াদে সাত বছরে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। বাস্তবায়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। প্রাথমিক প্রস্তাবে প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়েছিল। বিভিন্ন পর্যায়ের পর্যালোচনা ও পুনর্মূল্যায়নের পর ব্যয় কাঠামো চূড়ান্ত করা হয়েছে।
একই একনেক সভায় মোট ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ৯টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে ৩টি নতুন প্রকল্প, ৫টি সংশোধিত প্রকল্প এবং ১টি মেয়াদ বৃদ্ধি প্রকল্প। মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২০৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
পদ্মা ব্যারাজের অবস্থান ও কাঠামো
অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, রাজবাড়ীর পাংশা এলাকায় পদ্মা নদীর ওপর ব্যারেজ নির্মাণ করা হবে। ব্যারাজটির দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ২.১ কিলোমিটার। এর মাধ্যমে প্রায় ২,৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রকল্পের আওতায় থাকবে- ৭৮টি স্পিলওয়ে; ১৮টি আন্ডার ফ্লুইস; ২টি ফিশ পাস; নেভিগেশন লক; গাইড বাঁধ; এপ্রোচ এমব্যাঙ্কমেন্ট ও সংশ্লিষ্ট বৈদ্যুতিক অবকাঠামো ও হাইড্রো পাওয়ার প্ল্যান্ট।
পানিবিদ্যুৎ ও শক্তি উৎপাদন
প্রকল্পের আওতায় দু’টি পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে-
পদ্মা ব্যারাজ সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎকেন্দ্র : ৭৬.৪ মেগাওয়াট
গড়াই অফ-টেক কেন্দ্র : ৩৬.৬ মেগাওয়াট
মোট সম্ভাব্য উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে ১১৩ মেগাওয়াট, যা জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য শক্তি সংযোজনের সুযোগ তৈরি করবে।
কৃষি, সেচ ও অর্থনৈতিক প্রভাব
প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে প্রায় ২৮.৮ লাখ হেক্টর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯ জেলার ১২০টি উপজেলায় সরাসরি সুফল পৌঁছাবে এবং আরো পাঁচটি জেলা পরোক্ষভাবে উপকৃত হবে।
শুষ্ক মৌসুমে পদ্মার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে স্বাদু পানি সংরক্ষণ করা হলে- নদীভিত্তিক কৃষি পুনরুজ্জীবিত হবে; ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে; জলাবদ্ধতা কমবে ও ভবদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলের নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে ।
লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ ও সুন্দরবন সুরক্ষা
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট জেলায় লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশ দীর্ঘদিনের সমস্যা। ব্যারেজের মাধ্যমে স্বাদু পানির প্রবাহ বাড়লে- লবণাক্ততা হ্রাস পাবে; সুন্দরবন ইকোসিস্টেমের ভারসাম্য পুনরুদ্ধার হবে; জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সহজ হবে এবং বনসম্পদ রক্ষা পাবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নদী ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় এটি একটি সমন্বিত উদ্যোগ, যা কৃষি ও পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নদী পুনরুজ্জীবন কর্মসংস্থান ও সামাজিক প্রভাব
প্রকল্পের অংশ হিসেবে গড়াই-মধুমতি নদী ১৩৫.৬০ কিলোমিটার, হিসনা নদী ২৪৬.৪৬ কিলোমিটার ড্রেজিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি চন্দনা ও হিসনা অফ-টেক অবকাঠামো নির্মাণ এবং বিভিন্ন নদী সিস্টেম পুনঃখননের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এর মাধ্যমে হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, বড়াল ও ইছামতি নদী সিস্টেম পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ৯ লাখ ২৭ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে। অবকাঠামো নির্মাণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন, সেচ সম্প্রসারণ ও নদী ব্যবস্থাপনা খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
দীর্ঘ ইতিহাস ও পরিকল্পনা
পদ্মা ব্যারাজের ধারণা নতুন নয়। ১৯৬০ সাল থেকে বিভিন্ন সময় সমীক্ষা ও আলোচনা হয়েছে। ২০০৪ সালে বিস্তারিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শুরু হয়ে ২০১৩ সালে তা সম্পন্ন হয়। ওই সমীক্ষায় প্রকল্প বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে বিশাল ব্যয়ের কারণে এটি দীর্ঘদিন ঝুলে ছিল এবং অবশেষে পুনর্গঠন ও ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পটি বাংলাদেশের জলসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে বড় অবকাঠামোগত উদ্যোগগুলোর একটি। এর সম্ভাব্য সুফল কৃষি, পরিবেশ, বিদ্যুৎ ও আঞ্চলিক উন্নয়নে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ ও সুন্দরবন সুরক্ষার ক্ষেত্রে এটি কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে।
তবে এত বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক শৃঙ্খলা, সময়মতো কাজ সম্পন্ন করা, পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন, নদীপ্রবাহের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। প্রকল্পের সাফল্য নির্ভর করবে সঠিক নকশা বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা ও দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণের ওপর।
পদ্মা ব্যারাজ অনুমোদনের মধ্য দিয়ে দেশের নদীভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। এটি শুধু একটি অবকাঠামো প্রকল্প নয়, বরং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি, কৃষি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার একটি সমন্বিত উদ্যোগ। এখন দেখার বিষয়, নির্ধারিত সময়সূচি ও বাজেটের মধ্যে প্রকল্পটি কতটা কার্যকর ও টেকসইভাবে বাস্তবায়ন হয়।
সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়ন
সাধারণভাবে বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়ন কয়েকটি উৎস থেকে আসে- ১. জাতীয় বাজেট : প্রকল্পের প্রধান অর্থদাতা হিসেবে সাধারণত সরকারি তহবিল ব্যবহৃত হয়। ২. বৈদেশিক ঋণ/সহযোগিতা : প্রয়োজন হলে উন্নয়ন অংশীদার বা আন্তর্জাতিক অর্থায়ন সংস্থা থেকে ঋণ নেয়া হতে পারে। ৩. পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) : কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অংশে বেসরকারি বিনিয়োগ যুক্ত হতে পারে।
বর্তমানে পদ্মা নদীর ওপর প্রস্তাবিত ব্যারাজ প্রকল্পটি জাতীয় কৌশলগত অবকাঠামো হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় মূল অর্থায়ন দেশীয় উৎস থেকেই করার প্রবণতা রয়েছে বলে সরকারি নীতিতে উল্লেখ থাকে। তবে প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন, ডিপিপি ও একনেক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট অর্থায়ন কাঠামো চূড়ান্ত হয়। শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থায়ন করা হবে মর্মে সিদ্ধান্ত হয়। কোনো বিদেশী ঋণ এখনই অন্তর্ভুক্ত নয়।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, কারণ আগের আলোচনায় বিদেশী অর্থায়ন বা উন্নয়ন অংশীদারদের সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা থাকলেও সর্বশেষ সিদ্ধান্তে সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়ন গ্রহণ করা হয়েছে।
ভূরাজনৈতিক তাৎপর্য
পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর একটি হলো এর ভূরাজনৈতিক মাত্রা। কারণ পদ্মা নদী একটি আন্তঃসীমান্ত নদী- এর উজানের প্রবাহ প্রধানত ভারতের গঙ্গা অববাহিকা থেকে নির্ভরশীল। তাই এ ধরনের বৃহৎ পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো শুধু অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন নয়, বরং আঞ্চলিক কূটনৈতিক সমীকরণের সাথেও যুক্ত।
১. পানি কূটনীতি ও গঙ্গা প্রবাহ : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গা পানি বণ্টন সংক্রান্ত চুক্তি দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক কাঠামো। পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়ন হলে শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি আঞ্চলিক আলোচনার অংশ হয়ে উঠতে পারে। এতে পানি ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তি, প্রবাহ পরিমাপ ও তথ্য আদান-প্রদান আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। ভবিষ্যতে পানি ব্যবস্থাপনা সহযোগিতা জোরদার করা না গেলে পারস্পরিক নির্ভরতার বিষয়টি কূটনৈতিক আলোচনায় প্রভাব ফেলতে পারে।
২. জলবায়ু পরিবর্তন ও আঞ্চলিক নেতৃত্ব : বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পরিচিত। পদ্মা ব্যারাজের মতো বৃহৎ অভিযোজন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে দেশটি জলবায়ু অভিযোজন নেতৃত্বের একটি উদাহরণ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে পারবে। এতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা, বহুপক্ষীয় ব্যাংক ও প্রযুক্তিগত অংশীদারদের সাথে সহযোগিতার সুযোগ বাড়বে।
৩. আঞ্চলিক শক্তি ও বিদ্যুৎ সংযোগ : প্রকল্পের আওতায় পানিবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা থাকায় ভবিষ্যতে আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ায় বিদ্যুৎসংযোগ ও গ্রিড সমন্বয় নিয়ে আলোচনা চলছে। নবায়নযোগ্য শক্তি সংযোজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আঞ্চলিক জ্বালানি সহযোগিতায় আরো সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারে।
৪. সুন্দরবন ও কৌশলগত পরিবেশ : সুন্দরবন শুধু একটি বন নয়, এটি একটি কৌশলগত পরিবেশগত অঞ্চল। এটি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা বলয় এবং বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত। লবণাক্ততা হ্রাস ও স্বাদু পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে সুন্দরবনের টেকসই ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী হতে পারে। এ কারণে প্রকল্পটি পরিবেশ-নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্থিতিশীলতার সাথেও সম্পর্কিত।
৫. অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন ও আঞ্চলিক ভারসাম্য : দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় উন্নয়ন আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়ন হলে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাসের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এতে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও শক্তিশালী হতে পারে, যা পরোক্ষভাবে দেশের ভূরাজনৈতিক অবস্থানকে দৃঢ় করে।
সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ
এত বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে কয়েকটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ- পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন ও নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহ রক্ষা; আন্তঃসীমান্ত পানি কূটনীতিতে সমন্বয়; অর্থায়ন ও সময়সূচি যথাযথভাবে অনুসরণ এবং রক্ষণাবেক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটি সফল হলে এটি বাংলাদেশের জলসম্পদ ব্যবস্থাপনায় একটি মাইলফলক হতে পারে; তবে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ অপরিহার্য।
একনেক সভার অন্যান্য অনুমোদিত প্রকল্প
এই সভায় আরো যেসব প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে- চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স (২য় সংশোধন); গণগ্রন্থাগার অধিদফতরের বহুতল ভবন (২য় সংশোধন); মা ও শিশু কল্যাণকেন্দ্র উন্নীতকরণ প্রকল্প; হাই-টেক সিটি-২ সহায়ক অবকাঠামো (৩য় সংশোধন); সরকারি শিশু পরিবার ও ছোটমণি নিবাস পুনর্নির্মাণ; সাভার সেনানিবাসে ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ; চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড (পতেঙ্গা-সাগরিকা) (৫ম সংশোধিত) এবং ময়মনসিংহ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প। এ ছাড়া দুইটি ছোট প্রকল্প সম্পর্কে সভাকে অবহিত করা হয়।



