ঢাকায় দুই ভাই ও নোয়াখালীতে বাসের সুপারভাইজার নিহত

Printed Edition

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

কেরানীগঞ্জে আপন দুই ভাইসহ দুই জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

ঢাকা জেলা প্রতিনিধি জানান, ঢাকার কেরানীগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নাদিম (১৬) ও রাজন (১৪) নামে আপন দুই ভাই নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুইজন।

বুধবার ভোরে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের সার্ভিস লেনের তেঘরিয়া যাত্রীছাউনি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত নাদিম ও রাজন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিয়নের পারগেন্ডারিয়া এলাকার ইদু মিয়ার ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চার বন্ধু একটি অটোরিকশা নিয়ে হাসনাবাদের দিকে চা খেতে যাচ্ছিল। পথে তেঘরিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবাহী ট্রাকের সাথে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়। আহত হন অটোরিকশায় থাকা আরো দুইজন।

হাঁষাড়া হাইওয়ে থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছেন। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে।

নোয়াখালী অফিস জানায়, নোয়াখালীর মাইজদীতে মাটিবাহী পিকআপের চাপায় মো: জাবেদ হোসেন আকাশ (২৮) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে মাইজদী হাসপাতাল সড়কের প্লাটরোড মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব এওজবালিয়া গ্রামের আজাদ বখত ভূঁইয়া বাড়ির জাকের হোসেনের ছেলে আকাশ। তিনি ঢাকা-নোয়াখালী একুশে পরিবহন বাস সার্ভিসের সুপারভাইজার। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১২টার দিকে মাইজদী প্রাইম হাসপাতালে অসুস্থ বোনকে দেখতে যান। পরে সেখান থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বড় মসজিদ মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। পথে প্লাটরোড মোড়ে পৌঁছালে পিছন দিক থেকে আসা একটি মাটিবাহী পিকআপ তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আকাশকে মৃত ঘোষণা করেন।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পিকআপটি আটক করা হয়েছে। চালক পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।