তথ্যমন্ত্রীর সাথে যুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাাৎ

Printed Edition
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সাথে বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেনগলি সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন : পিআইডি
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সাথে বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেনগলি সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন : পিআইডি

বাসস

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক এবং সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেঙ্গলি গতকাল পৃথকভাবে সৌজন্য সাাৎ করেছেন।

সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রীর দফতরে তারা পৃথকভাবে এ সাাৎ করেন। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। সাাৎকালে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় জহির উদ্দিন স্বপনকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এ ল্েয সরকার গণমাধ্যম কমিশন গঠনের কাজ শুরু করেছে। তিনি এ েেত্র যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন।

মন্ত্রী যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘অফিস অব কমিউনিকেশনস’ (অফকম)-এর অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, অফকমের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশে গণমাধ্যম খাতে নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একই সাথে তিনি অফকমের সামগ্রিক কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।

অন্য দিকে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেঙ্গলিও তথ্যমন্ত্রীকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান। সাাৎকালে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। একই সাথে জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকে সুরা দিতেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তিনি সুইজারল্যান্ডের আধুনিক অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যেমন নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে, তেমনি তথ্য যাচাই ও নিরাপত্তার েেত্র এটি বিশ্বব্যাপী বড় চ্যালেঞ্জও তৈরি করেছে।

তিনি এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সাথে বাংলাদেশে প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগের জন্য সুইস রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান জানান।