নয়া দিগন্ত ডেস্ক
বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা এড়ানোর শাস্তি বাড়াতে আইনের সংশোধনী প্রস্তাব করেছে তাইওয়ান। এই সংশোধনী অনুযায়ী, সামরিক সেবা ফাঁকি দিলে কমপক্ষে এক বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। রোববার দেশটির সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়, যেসব পুরুষ বয়স পার হওয়া পর্যন্ত ইচ্ছাকৃতভাবে সামরিক সেবা বিলম্বিত করেন, তাদের জরিমানাও বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে এই প্রস্তাবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিনোদন জগতের তারকাদের সামরিক সেবা এড়ানোর সাম্প্রতিক কিছু আলোচিত ঘটনার পর এই প্রস্তাবটি আনা হয়েছে। তাইপেভিত্তিক সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির খবরে এই তথ্য তুলে ধরা হয়।
উপযুক্ত পুরুষদের জন্য সামরিক সেবাকে একটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে মন্ত্রণালয়টি। তারা জানায়, সম্প্রতি বিদেশে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা, ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে আহত করা বা সেবা এড়াতে শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন করার মতো ঘটনাগুলো ব্যাপক জনদৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
মন্ত্রণালয়ের মতে, বিদ্যমান শাস্তিগুলো এ ধরনের আচরণ রোধ করতে অপর্যাপ্ত। এই সংশোধনীর মাধ্যমে সাজা দেয়ার নির্দেশিকাও পরিবর্তন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমান আইনে সামরিক সেবা এড়ালে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে মন্ত্রণালয় জানায়, অনেক ক্ষেত্রেই বিচার স্থগিত করা হয়, বিচার হয় না অথবা ছয় মাস বা তার চেয়ে কম সময়ের কারাদণ্ড দেয়া হয় যা জরিমানার মাধ্যমে মওকুফ করা যায়। সামরিক সেবার বাধ্যবাধকতায় ন্যায্যতা বজায় রাখতে এবং অপরাধপ্রবণতা কমাতে নতুন খসড়ায় শাস্তির মেয়াদ এক থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডে পরিবর্তন করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।


