বিনোদন প্রতিবেদক
আগামী ৪ মে ১৫তম দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লার হাতে উঠে আসবে ভারতের মর্যাদাসম্পন্ন ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মাননা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রুনা লায়লা। আগামী ৪ মে উৎসবের উদ্বোধন করবেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার বিজয়ী আদুর গোপালকৃষ্ণন। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য আর্টস এবং ড. আম্বেদকার আন্তর্জাতিক কেন্দ্রে উৎসব চলবে ৮ মে পর্যন্ত। প্রদর্শিত হবে বিশ্বের ৬০টি দেশের ১৭৫টি সিনেমা। এবারের আসরে বিশ্বজুড়ে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক ও শিশুবিষয়ক চলচ্চিত্র এবং নারী নির্মাতাদের উৎসাহিত করা হবে। আয়োজনে সহযোগিতা করছে ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য আর্টস। পুরস্কারপ্রাপ্তি প্রসঙ্গে রুনা লায়লা বলেন, ‘বেশ কিছু দিন আগেই এক চিঠির মারফত আমাকে এই সম্মাননার ব্যাপারে চূড়ান্ত করা হয়। আন্তর্জাতিক এই চলচ্চিত্র উৎসবের অংশ হতে পেরে এবং আমাকে সম্মানিত করায় আমি সত্যিই অনেক আনন্দিত। উৎসবের সভাপতি রাম কিশোরকে ধন্যবাদ জানাই। সেই সাথে ইন্দিরা গান্ধী শিল্প পরিষদ, তথ্য মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কেও অনেক ধন্যবাদ। আমি নিশ্চিত, এই আয়োজন সফল হবে। আমার পক্ষ থেকে অনেক শুভকামনা।’ দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা মিনার-ই-দিল্লি। এর আগে এই সম্মাননা লাভ করেছেন শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা, রুশ অভিনেত্রী সেনিয়া রেবেক্কানা, ভারতের অভিনয়শিল্পী শর্মিলা ঠাকুর, তিগমাংশু ধুলিয়া, শত্রুঘœ সিনহা, জোহরা সেহগালের মতো খ্যাতিমান ব্যক্তিরা। এ বিষয়ে রুনা লায়লাকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন উৎসবের সভাপতি রাম কিশোর। তিনি লিখেছেন, ‘কয়েক দশক ধরে আপনার সুমধুর কণ্ঠ এবং বর্ণাঢ্য শৈল্পিক যাত্রা ভারত ও বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। আমাদের অনেকের কাছে আপনার গান শুধু সঙ্গীত নয়; বরং আবেগ, স্মৃতি এবং আমাদের দুই দেশের মধ্যে এক সুন্দর সেতুবন্ধন। সঙ্গীত ও চলচ্চিত্রে আপনার অবদান এমন এক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সৃষ্টি করেছে, যা আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। আপনি পুরস্কারটি গ্রহণ করলে আমাদের জন্য এক বিরাট আশীর্বাদ হবে।



