পেট্রলের দাম বৃদ্ধিতে দিশেহারা মার্কিনিরা

Printed Edition

রয়টার্স

পেট্রলের উচ্চমূল্যের জবাব মালি হাইটাওয়ার দিয়েছেন এক খেলনা দিয়ে, যেটি তিনি কারও আবর্জনার বাক্স থেকে কুড়িয়ে এনেছিলেন। জর্জিয়ার ৩০ বছর বয়সী এ মিস্ত্রি পাওয়ার ওয়াশার থেকে দুই গ্যালন তেল ধারণক্ষম একটি এক-পিস্টন বিশিষ্ট ইঞ্জিন একটি ভাঙা গোলাপি রঙের পাওয়ার হুইলস বার্বি ড্রিম ক্যাম্পারে লাগিয়েছেন। ব্যাটারিচালিত এই খেলনা গাড়িটির উচ্চতা ৪ ফুটেরও কম।

তার যে আসল গাড়ি, ১৯৯৬ সালের মডেলের মার্সিডিজ বেঞ্জ কনভার্টিবলে পেট্রল ভরাতে খরচ পড়ে যাবে ৯০ ডলারের কাছাকাছি। ‘এটা অনেক বেশি। তাই যখনই পারি এটা (খেলনা গাড়ি) চালাই,’ রয়টার্সকে এমনটাই বলেছেন হাইটাওয়ার, নিত্যপণ্য রাখতে যিনি ওই ড্রিম ক্যাম্পারের উপরের দিকে একটি র‌্যাকও লাগিয়ে নিয়েছেন।

তার এ সমাধান অনেকের কাছে অস্বাভাবিক লাগতে পারে। কিন্তু পেট্রলের ক্রমাগত দাম বৃদ্ধি মার্কিনিদের দৈনন্দিন সিদ্ধান্তকে নানাভাবে বদলে দিচ্ছে, অনেক পরিবারের সদস্যদের সৃজনশীল উপায়ে বাঁচার পথ খুঁজে পেতে অনুপ্রেরণাও জোগাচ্ছে। গাড়ি বিশেষ করে কম জ্বালানি-সাশ্রয়ী এসইউভি ও হালকা ট্রাকের প্রতি মার্কিনিদের যে দীর্ঘদিনের আসক্তি, অনেকেই এখন তা থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন। কেউ ছুটছেন সরকারি গণপরিবহনে, আবার অনেকে বাড়ির আশপাশে থাকতেই বেশি পছন্দ করছেন।

সোমবারও মার্কিনিদের গড়ে প্রতি গ্যালন পেট্রলের জন্য ৪ লার ৫২ সেন্ট দিতে হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন (এএএ), অথচ যুদ্ধের আগে এ খরচ ছিল গ্যালনপ্রতি তিন ডলারের কাছাকাছি। গত ২৮ এপ্রিল ওয়াশিংটন পোস্ট ও এবিসি নিউজে প্রকাশিত ইপসসের এক জরিপে গাড়ি চালানো কমানোর কথা বলেছেন ৪৪ শতাংশ আমেরিকান।