কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রত্যেক উপকারভোগীকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও কয়েকটি ইউনিয়নে কম চাল বিতরণের অভিযোগ করেছেন উপকারভোগীরা।
গতকাল বুধবার মানবিক সহায়তা কর্মসূচি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আওতায় উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ১০ হাজার ২২০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ১০২ দশমিক ২০০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, আমড়াজুড়ি ও কাউখালী সদর ইউনিয়নের কয়েকজন ইউপি সদস্য ১০ কেজির পরিবর্তে সাড়ে ৮ থেকে সোয়া ৯ কেজি পর্যন্ত চাল দিয়েছেন।
সরেজমিনে বিভিন্ন বিতরণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, উপকারভোগীদের দীর্ঘ সারি ও অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করেন, প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকলে নিয়ম মেনে চাল দেওয়া হলেও পরে অনিয়ম শুরু হয়।
উপকারভোগী লাইজু বেগম বলেন, ‘দূর থেকে ভাড়া খরচ করে এসে কম চাল পেয়ে খুব কষ্ট হয়।’ অপর উপকারভোগী আব্দুল হান্নান বলেন, ওয়ার্ডভিত্তিক বিতরণ হলে যাতায়াত খরচ ও ভোগান্তি কমত।
তবে কয়েকজন জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কার্ডবিহীন অসচ্ছল মানুষও চাল নিতে আসেন। মানবিক কারণে তাদেরও কিছু চাল দিতে হয় বলে নির্ধারিত পরিমাণে ঘাটতি দেখা দেয়। অভিযোগ অস্বীকার করে কয়েকজন ইউপি সদস্য বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ীই চাল বিতরণ করা হয়েছে। কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রত্যেক উপকারভোগীকে ১০ কেজি চাল দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।



