নয়া দিগন্ত ডেস্ক
গাজার শাসনভার তদারকির জন্য ট্রাম্প গঠিত তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদ হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর কথা বললেও এখন পাল্টাপাল্টি শর্তের কথা সামনে আসছে।
ইসরাইল দাবি করছে, হামাসের ‘প্রকৃত’ অস্ত্রসমর্পণ ছাড়া গাজা থেকে নিজেদের সেনা প্রত্যাহার করা হবে না। অন্য দিকে হামাস সাফ জানিয়েছে, ইসরাইলকে আগে সব ধরনের হামলা ও আগ্রাসন বন্ধ করে গাজা থেকে সেনা সরাতে হবে; তবেই কেবল ভারী অস্ত্র হস্তান্তর করা হবে।
ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার ও হামাসের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের নতুন রোডম্যাপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত নন বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক উপজাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্ক ফাইফল। ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন গভির খসড়া প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
নতুন প্রস্তাব নিয়ে ইসরাইলের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, হামাসের প্রকৃত অস্ত্রসমর্পণ ছাড়া ‘ইয়েলো লাইন’ থেকে ইসরাইলি বাহিনী পিছু হটবে না।
এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ও আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের নিশ্চয়তার পাশাপাশি ইসরাইলি হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়াই আলোচনা এগিয়ে নেয়ার পূর্বশর্ত। এদিকে গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধবিরতি সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে ব্রিটেন। খবর মিডল ইস্ট মনিটরের। শুক্রবার এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি বলেন, এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ২০ দফা পরিকল্পনা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা।



