রাজশাহী ব্যুরো
পরিবার-পরিজনকে সাথে নিয়ে দিনব্যাপী মিলনমেলার মধ্য দিয়ে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরইউজে) ‘ফ্যামিলি ডে-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল নগরীর শহীদ জিয়া শিশু পার্কে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে রাজশাহীর শতাধিক সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। শিশুদের জন্য বিভিন্ন খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, র্যাফল ড্র, পুরস্কার বিতরণ এবং মিলনমেলায় দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। সাংবাদিকদের পাশাপাশি তাদের পরিবারের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন হয়ে ওঠে আনন্দঘন।
রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহা: আব্দুল আউয়ালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ডালিম হোসেন শান্তর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো: মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী মহানগরী নায়েবে আমির ডা: মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর, সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মণ্ডল, জামায়াত নেতা অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ, গবেষক ও লেখক মাহবুব সিদ্দিকী, আরইউজের সাবেক সভাপতি ও কথাশিল্পী ডা: নাজিব ওয়াদুদ, রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার ও মুখপাত্র গাজিউর রহমান, বিএফইউজের সহকারী মহাসচিব ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন, আঞ্চলিক তথ্য অফিস রাজশাহীর উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো: তৌহিদুজ্জামান, রাজশাহী টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শ. ম. সাজু ও সাধারণ সম্পাদক রাসেল মোস্তাফিজসহ স্থানীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকবৃন্দ এবং রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন বলেন, সাংবাদিকরা রাষ্ট্র ও সমাজের প্রয়োজনে নির্ধারিত কর্মঘণ্টার বাইরে থেকেও দায়িত্ব পালন করেন। সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনের ব্যস্ততায় পরিবারের জন্য সময় বের করা কঠিন হয়ে পড়ে। বছরে একদিন ফ্যামিলি ডে আয়োজন একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হলেও প্রতিদিনই পরিবারের জন্য কিছুটা সময় রাখা প্রয়োজন। কারণ দিন শেষে পরিবারের মানুষই সবচেয়ে কাছের এবং তারাই সবসময় পাশে থাকে।
সভাপতির বক্তব্যে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহা: আব্দুল আউয়াল বলেন, পেশাগত ব্যস্ততার কারণে সাংবাদিকদের অনেকেরই পরিবারের সাথে পর্যাপ্ত সময় কাটানোর সুযোগ হয় না। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় সদস্য ও তাদের পরিবারের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও বন্ধন আরো দৃঢ় করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে। সদস্যদের কল্যাণ, ঐক্য ও পারস্পরিক বন্ধন সুদৃঢ় করাই সংগঠনের অন্যতম অঙ্গীকার।



