নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে হুমায়ুন কবির জানান, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ নেই চীনের, পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের সাথে কাজ করতে প্রস্তুত চীন। বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশীদার হতে চায় তারা (চীন)। তবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নাক গলাতে চায় না।
সাক্ষাতে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তারেক রহমানের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
৯ জেলায় যাচ্ছেন : উত্তরবঙ্গের ৯ জেলায় যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সফরটি মূলত ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানের অংশ। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জারি করা ‘আচরণবিধি’ কোনোভাবেই লঙ্ঘন করা হবে না বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন, সফর-সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার বরাবর আবেদন করেছে বিএনপি।
গতকাল বুধবার দলটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানো হয়।
বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সফরে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ ও মরহুম তৈয়বা মজুমদারসহ নিহত জুলাইযোদ্ধা এবং দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন তারেক রহমান। সেই সাথে আহত জুলাইযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তারেক রহমান।
এ দিকে বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১৯ বছর পর আগামী ১১ জানুয়ারি নিজ জেলা বগুড়ায় যাবেন। ঢাকার বাইরে এটিই হবে তার প্রথম সফর। এ দিন ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ হয়ে বগুড়ায় রাতযাপন করবেন। পর দিন ১২ জানুয়ারি সকালে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত গণদোয়ায় অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। এর পর তারেক রহমান রংপুর, দিনাজপুর ও লালমনিরহাট যাবেন। রংপুরে যাওয়ার পথে শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থানে হজরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী মাহী সাওয়ার (রহ:)-এর মাজার জিয়ারত ও পীরগঞ্জে জুলাই গণ-অভ্যুথানে প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। এর পর সেখানে তিনি ঠাকুরগাঁও রাতযাপন করবেন।
এর পরে ১৩ জানুয়ারি পঞ্চগড়, নীলফামারি, লালমনিরহাট জেলায় যাবেন। সেখানে জুলাই আন্দোলনে নিহত শহীদ এবং দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন। পরে আবার রংপুরে এসে রাতযাপন শেষে ১৪ জানুয়ারি বগুড়া হয়ে আবার ঢাকায় ফিরবেন।



