সাভার (ঢাকা) সংবাদদাতা
সাভার পৌর এলাকার ডগরমোড়ার একটি সংযোগ সড়ক থেকে এক কিশোরীকে (১৫) তুলে নিয়ে লিটন নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির বাড়িতে গণধর্ষণের অভিযোগ করেছেন তার বাবা। এ ঘটনায় গতকাল অভিযুক্ত দুইজনকে আটক করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। তারা হলো আশিক ও শান্ত।
সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ গত সন্ধ্যায় নয়া দিগন্তকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ওই কিশোরীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে, মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ভিকটিমের পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভিকটিম ডগরমোড়ার একটি সংযোগ সড়ক দিয়ে হেঁটে বোনের বাসা থেকে একই এলাকার নিজের ভাড়া বাসায় আসছিলেন। এ সময় ডগরমোড়ার সিআরপি রোডসংলগ্ন লিটনের ছেলে শান্ত তার ওড়না নিয়ে দৌড়ে তাদের বাড়ির সামনে যায়। তখন ভিকটিম ওড়না উদ্ধারের জন্য পিছন পিছন শান্তদের বাড়ির সামনে গেলে তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে দোতলার একটি কক্ষে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে তার বন্ধু আকাশসহ ৫ জন পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। এরপর অভিযুক্তরা ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয় যাতে করে এ ঘটনা যেন কোনোভাবে প্রকাশ না করে। এরই মধ্যে ভিকটিমের প্রতিবেশী রানা ঘটনাটি জেনে এর প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা রানাকে বেধড়ক মারধর করেন। রোববার দুপুরে পরিবারের পক্ষ থেকে সাভার মডেল থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানালে তারা তাৎক্ষণিক দুইজনকে আটক করে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভিকটিমের বড়ভাই জানান, লিটনের ছেলে শান্তকে মামলার প্রধান আসামি করা হচ্ছে।



