নয়া দিগন্ত ডেস্ক
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরো সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হাম উপসর্গে মারা গেছে সাতজন, আর হামে মৃত্যু হয়েছে দুইজনের। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে মৃত্যু ৩২৪ জনে পৌঁছেছে।
গতকাল স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে এমন শিশুর সংখ্যা এক হাজার ৬৫৪ জন।
হাম এবং উপসর্গ নিয়ে গত দেড় মাসে সারা দেশে ৩২৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৫৬ শিশুর। আর উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ২৬৮ জন।
একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ছয় হাজার ৯৯ জন। আর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৪৪ হাজার ২৬০ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগে হাম ও হাম সন্দেহে ১৬৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছে ২৪ হাজার ৫৭ জন। এই হিসাব গত ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, চট্টগ্রামে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৩২ শিশু বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই ৩২ জনসহ বর্তমানে চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২২৪ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট ৯১ জনের দেহে হাম শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে নগর এলাকায় ৬২ জন এবং বিভিন্ন উপজেলায় ২৯ জন আক্রান্ত। ইতোমধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃত শিশুটির বাড়ি কক্সবাজার জেলায়। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৩ শিশু।
সিভিল সার্জন কার্যালয় আরো জানায়, বুধবার নতুন করে আরো একজনের নমুনা ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মিজেলস ল্যাবরেটরি-এ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট ৭৬০ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে।



