নয়া দিগন্ত ডেস্ক
বিয়ের সব প্রস্তুতি সারা। কিন্তু হঠাৎ কনে ওয়াং রানরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারপর ভুল চিকিৎসায় ওলট-পালট হয়ে যায় সব। সামান্য ঠাণ্ডা-জ্বর থেকে কোমায় চলে যান। অবশেষে দীর্ঘ তিন মাস পর বিয়ের ঠিক দুই দিন আগে চোখ খুলে তাকান।
জানা গেছে, চীনের শানডং প্রদেশের তাইআন শহরের ওয়াং রানরান ঝাং জিরুইয়ের সাথে ৬ বছরের প্রেম শেষে গত বছরের শেষ দিকে বিয়ের নিবন্ধন করেন এবং গত ২৫ এপ্রিল ধুমধাম করে বিয়ের কথা ছিল।
কিন্তু গত জানুয়ারিতে ওয়াংয়ের গলাব্যথা শুরু হলে সাধারণ ঠাণ্ডা মনে করে হবু স্বামী ঝাংয়ের সাথে কাছের ‘দাইইউ জিন মেডিক্যাল হল’ ক্লিনিকে যান। সেখানে এক নারী ওয়াংকে একটি ইনজেকশন পুশ করেন। এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই ওয়াং অসুস্থ হয়ে পড়েন। জিহ্বা অবস হয়ে আসে, শুরু হয় বমি ও প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট। পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক দেখে ঝাং দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডাকেন। কিন্তু প্যারামেডিকরা পৌঁছানোর আগেই ওয়াং ‘অ্যালার্জিক শকে’ চলে যান।
হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকেরা জানান, ভুল ওষুধের কারণে অ্যালার্জিক শক থেকে এই অবস্থা হয়েছে। দীর্ঘ চার মিনিটেরও বেশি তার মস্তিষ্কে অক্সিজেন পৌঁছাতে না পারায় স্থায়ী ক্ষতি হয়ে গেছে।
কোমায় যাওয়ার ৯২ দিন পর অবশেষে গত ২৩ এপ্রিল প্রথমবারের মতো চেতনার লক্ষণ দেখা যায়। এ সময় ওয়াং চোখ খোলেন এবং ঝাংয়ের দিকে তাকিয়ে হাসেন। তবে এখনো কথা বলতে বা নড়াচড়া করতে পারছেন না। তবু এই হাসিই যেন নতুন জীবনের বার্তা দিয়েছে। ইন্টারনেট।



