প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

Printed Edition

গত ২৫ মে দৈনিক নয়া দিগন্তে প্রকাশিত “পুলিশ কনস্টেবলের প্রতারণার ফাঁদে সর্বস্বান্ত নিরীহ মানুষ, আদালতের নির্দেশের পরও ঝুলে আছে তদন্ত” শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কনস্টেবল শাহীনুর আলম। প্রতিবাদলিপিতে তিনি নিজেকে সৎ পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, প্রকাশিত সংবাদ সঠিক নয়। তিনি আবদুল্লাহ আল মামুন ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রতারণা করে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করেন।

প্রতিবেদকের বক্তব্য

অভিযোগকারী আব্দুল্লাহ আল মামুনের সাথে কনস্টেবল শাহীনের আর্থিক লেনদেন, গোডাউনে নিয়মিত যাতায়াত, সুদের টাকা আদায়সংক্রান্ত আলোচনা এবং তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে সুপারিশ ও তদবিরের বিষয়ে একাধিক অডিও ও ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষিত রয়েছে। ভুক্তভোগী মামুনের দাবি, ডাচ বাংলা ব্যাংকের গাজীপুর ওয়ারলেস গেট শাখায় ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি শাহীনের সাথে তার লেনদেন হয়। শাহীন ওই শাখায় নিজের একাউন্ট থেকে চার লাখ টাকা উত্তোলন করে সুদ হিসেবে মামুনের কাছে লগ্নি করেন।

কনস্টেবল শাহীনের সুদের ব্যবসা, অর্থলগ্নি এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন ব্যক্তির অডিও ও ভিডিও সাক্ষ্য রয়েছে। মামুন দাবি করেন, তিনি কখনোই ফেরিওয়ালা ছিলেন না, বরং তিনি কয়েক বছর ধরে একই স্থানে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং তার প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক হিসাব, ট্রেড লাইসেন্স ও ব্যাংক ঋণের নথিপত্র রয়েছে।

মামুন আরো দাবি করেন, চেক ডিজঅনারসংক্রান্ত মামলা দায়েরের আগে তিনি কোনো ধরনের আইনগত নোটিশ, সমন বা উকিল নোটিশ হাতে পাননি। অথচ শাহীনুর আলম তার প্রতিবাদলিপিতে দাবি করেছেন, চেক ডিজঅনার হওয়ার পর যথাযথ প্রক্রিয়ায় উকিল নোটিশ পাঠানো এবং পরবর্তীতে আইনানুগভাবে মামলা দায়ের করা হয়।