হাতিশুঁড় : অবহেলিত এক ভেষজ উদ্ভিদ : আসাদ আহমেদ

Printed Edition
হাতিশুঁড় : অবহেলিত এক ভেষজ উদ্ভিদ :  আসাদ আহমেদ
হাতিশুঁড় : অবহেলিত এক ভেষজ উদ্ভিদ : আসাদ আহমেদ

বাংলাদশেরে গ্রামাঞ্চলে পরচিতি একটি ভষেজ উদ্ভদি হলো হাতশিুঁড় গাছ। নামরে মধ্যইে এর আকৃতরি একটি ইঙ্গতি পাওয়া যায়। এর ফুল বা ফল দখেতে অনকেটা হাতরি শুঁড়রে মতো বাঁকানো বলে একে ‘হাতশিুঁড়’ বলা হয়। সাধারণত রাস্তার ধার,ে পততি জমতিে কংিবা বাড়রি আশপাশে স্বাভাবকিভাবে জন্মাতে দখো যায় এই গাছট।ি অযতœে বড়েে ওঠা এই উদ্ভদিটি আমাদরে কাছে তমেন গুরুত্ব না পলেওে এর ভতেরে লুকয়িে আছে অসাধারণ ভষেজ গুণাগুণ। হাতশিুঁড় গাছরে বজ্ঞৈানকি নাম (ঐবষরড়ঃৎড়ঢ়রঁস রহফরপঁস) এটি একর্বষজীবী উদ্ভদি, যা সাধারণত ১ থকেে ৩ ফুট র্পযন্ত লম্বা হয়। এই গাছ জন্মানোর নর্দিষ্টি কোনো মৌসুম নইে। র্আদ্র পরবিশে ও গ্রীষ্ম-র্বষায় দ্রুত বৃদ্ধি পায়। গ্রীষ্মকালে এর ফুল ফোটা শুরু হয় এবং ক্ষুদ্র ফলরে মাধ্যমে বংশ বস্তিার কর।ে এর পাতা ডম্বিাকৃতরি এবং কছিুটা রুক্ষ প্রকৃতরি। শকিড় মজবুত ও শক্ত। কাণ্ড তুলনামূলক নরম। গাছরে ফুলগুলো ছোট, সাদা বা হালকা নীল রঙরে হয়ে থাকে এবং র্সপলি আকারে সাজানো থাক।ে এই ফুলরে গঠনই গাছটরি নামকরণরে অন্যতম কারণ।

বাংলার প্রাচীন লোকজ চকিৎিসায় হাতশিুঁড় গাছরে ব্যাপক ব্যবহার রয়ছে।ে গ্রামবাংলার মানুষ যুগ যুগ ধরে এই গাছরে পাতা, ফুল এবং শকিড় বভিন্নি রোগরে চকিৎিসায় ব্যবহার করে আসছ।ে বশিষে করে র্চমরোগ, যৌনরোগ, ক্ষত, ফােঁড়া ইত্যাদরি ক্ষত্রেে এর ব্যবহার খুবই জনপ্রয়ি। হাতশিুঁড় গাছরে শকিড় যৌন র্দুবলতা দূর কর।ে হাতশিুঁড় গাছরে পাতা বটেে ক্ষতস্থানে লাগালে তা দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে এবং সংক্রমণ কমায়। এতে প্রাকৃতকি অ্যান্টব্যিাকটরেয়িাল উপাদান থাকায় এটি জীবাণু ধ্বংস করতে সক্ষম। এ ছাড়াও এই গাছটি জ্বর, র্সদ-িকাশি এবং গলার ব্যথা উপশমওে র্কাযকর ভূমকিা রাখ।ে হাতশিুঁড় পাতার রস সামান্য গরম করে খলেে ঠাণ্ডাজনতি সমস্যা কছিুটা কমে যায় বলে লোকমুখে প্রচলতি রয়ছে।ে আবার মাথাব্যথা বা মাইগ্রনেরে ক্ষত্রেওে এর পাতা ব্যবহার করা হয়। পাতা বটেে কপালে লাগালে আরাম পাওয়া যায়। হাতশিুঁড় গাছরে আরকেটি গুরুত্বর্পূণ ব্যবহার হলো প্রদাহনাশক হসিবে।ে শরীররে কোনো অংশে ব্যথা বা ফোলা দখো দলিে এর পাতা বটেে প্রলপে দলিে তা কমাতে সাহায্য কর।ে এ ছাড়া পোকামাকড়রে কামড়ে হওয়া জ্বালাপোড়াও এটি প্রশমতি করতে পার।ে এই গাছরে রসে এমন কছিু রাসায়নকি উপাদান রয়ছে,ে যা ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে র্কাযকর। তবে হাতশিুঁড় গাছরে কছিু সর্তকতার বষিয়ও রয়ছে।ে এর অতরিক্তি ব্যবহার শরীররে জন্য ক্ষতকির হতে পার।ে বশিষে করে অভ্যন্তরীণভাবে বশেি মাত্রায় গ্রহণ করলে লভিাররে ওপর প্রভাব ফলেতে পারে বলে কছিু গবষেণায় উল্লখে পাওয়া যায়। তাই এটি ব্যবহাররে ক্ষত্রেে অভজ্ঞি ব্যক্তরি পরার্মশ নয়ো গুরুত্বর্পূণ। পরবিশেরে দকি থকেওে হাতশিুঁড় গাছরে গুরুত্ব রয়ছে।ে এটি মাটরি র্উবরতা রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং প্রাকৃতকিভাবে জন্মে বলে মাটরি ক্ষয়রোধওে ভূমকিা রাখ।ে এ ছাড়া এর ফুলে মৌমাছি ও অন্যান্য পরাগায়ণকারী পোকামাকড় আকৃষ্ট হয়, যা পরবিশেরে ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক। র্বতমান সময়ে আধুনকি চকিৎিসাবজ্ঞিানরে অগ্রগতরি ফলে আমরা অনকে ভষেজ উদ্ভদিরে গুরুত্ব ভুলে যতেে বসছে।ি কন্তিু হাতশিুঁড় গাছরে মতো প্রাকৃতকি সম্পদ আমাদরে জন্য এক অমূল্য দান। এর সঠকি ব্যবহার ও সংরক্ষণ নশ্চিতি করা গলেে এটি ভবষ্যিতে আরো গবষেণার দ্বার খুলে দতিে পারে এবং নতুন ওষুধ আবষ্কিাররে সম্ভাবনাও তরৈি করতে পার।ে হাতশিুঁড় গাছ শুধু একটি সাধারণ আগাছা নয়; এটি একটি উপকারী ভষেজ উদ্ভদি, যার রয়ছেে নানা ঔষধি গুণ। আমাদরে উচতি এ ধরনরে গাছ সর্ম্পকে সচতেন হওয়া এবং সঠকিভাবে এর ব্যবহার জানা।