চট্টগ্রামে জামায়াতের বিক্ষোভ

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে : ড. হামিদ আজাদ

Printed Edition

চট্টগ্রাম ব্যুরো

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ বলেছেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশের মানুষ নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু আজও জনগণ দারিদ্র্যমুক্ত, বৈষম্যহীন ও সুশাসনভিত্তিক রাষ্ট্র পায়নি। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই রাজপথে নেমেছিল। সেই আন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে দেশের প্রতিটি বিভাগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং সবার একটাই দাবি, গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে।

গতকাল চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট মোড়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গণহত্যাসহ সব হত্যার বিচার এবং গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াত আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বহদ্দারহাট মোড় থেকে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুরাদপুর মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

চট্টগ্রাম মহানগর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান।

মহানগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহর সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন মহানগর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, ফয়সল মুহাম্মদ ইউনুস, মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি, ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি মাইমুনুল ইসলাম মামুন, জামায়াত নেতা শফিউল আলম এবং জুলাই আন্দোলনের শহীদ ফয়সাল আহমেদ শান্তের বাবা জাকির হোসাইন।

হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, শহীদদের রক্তের সাথে কোনো বিশ্বাসঘাতকতা করা হবে না। জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকার ব্যর্থ হলে দেশব্যাপী আরো কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।