স্কুল সময়ে যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকায় স্কুল চলাকালে যানজট কিভাবে নিরসনে করা যায় সে বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে বিকল্পব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সাক্ষাৎ করতে এলে তাদের এ কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে শিক্ষামন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী রাজধানীতে স্কুলের সময়ে যানজট হয় তা কিভাবে নিরশন করা যায় এবং এ ব্যাপারে বিকল্প ব্যবস্থা কী কী হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাবনা তৈরি করে উপস্থাপন করতে বলেছেন।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, উদাহরণ হিসেবে দেখা গেছে রাজধানীর একটি স্কুলে দেড় শ’ শিক্ষার্থীর জন্য এক শ’ গাড়ি সামনে ভিড় করে। এতে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসতে বেগ পেতে হয়। এই সমস্যাগুলো অ্যাড্রেস করে প্রধানমন্ত্রী বিকল্প খুঁজতে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছেন।

শিক্ষামন্ত্রীর পর জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ ছাড়া নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎ শেষে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সাংবাদিকদের বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সঙ্কটের কারণে স্কুল পর্যায়ে ‘অনলাইনে ক্লাস চালু’র কথা ভাবছে মন্ত্রণালয়। এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনার পরে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হবে।

তিনি বলেন, আমরা আলোচনা করেছি যে, অনলাইনে এডুকশনটা প্রমোশন করা। আমরা এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করব। তারপর এটা নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হবে এবং সিদ্ধান্ত আসবে। অনলাইনে ক্লাস চালুর ভাবনা কেন তার ব্যাখ্যা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যেহেতু ওয়ার্ল্ড ওয়াইজ ক্রাইসিস নট অনলি বাংলাদেশ অ্যান্ড উই ডোন্ট নো হাউ লং দিস ক্রাইসিস উইল কন্টিনিউ। সেই কারণে আমরা ভাবছি যে আমাদের স্কুল সিস্টেম অনলাইনে এনে তাদের অন অ্যান্ড অফ মানে ব্র্যান্ডিং সিস্টেম। মনে করেন উইকলি পাঁচ দিন ক্লাস ছিল। এখন আমরা এসব ক্লাস লস করেছি রোজার ছুটিতে এবং বিভিন্ন রকম আন্দোলন-টান্দোলন সব মিলিয়ে। আমরা স্কুল আওয়ারটাকে সিক্স ডেইজে উইক করছি। তিনি বলেন, ইন দি মিন টাইম আমাদের ফুয়েল ক্রাইসিস ইন্টারন্যাশনাল এই ক্রাইসিসের কারণে আমরা ভাবছি যে ব্র্যান্ডিং করা যায় কিনা, অন অ্যান্ড অফ... আসবে অনলাইনে। এটা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে আমরা একটা জরিপ করেছি। সেই সার্ভেতে ৮৫% পিপল চাচ্ছে, ইউজাররা চাচ্ছে তারা যেন অনলাইনে যায়। বাট কমপ্লিটলি অনলাইনে যদি যাওয়া হয় আমরা আবার আন সোস্যাল হয়ে যাব। এটা নিয়ে আমরা ভাবছি।