গাবতলীতে জোর করে ধান আদায় বিএনপি নেতার

Printed Edition

বগুড়া অফিস

বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় সেচ বিলের টাকা না নিয়ে জোরপূর্বক অতিরিক্ত ধান আদায়ের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা সেচ পাম্প অপারেটরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) বগুড়া জেলা কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কৃষক সজিবুর রহমান সনজিব।

অভিযোগে বলা হয়, বালিয়াদিঘি ইউনিয়নের কালাইহাটা গ্রামের বিএমডিএ পরিচালিত গভীর নলকূপের আওতায় প্রায় ২০০ কৃষকের ৩০০ বিঘা জমি রয়েছে। দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর ধরে সেচ পাম্প অপারেটর রফিকুল ইসলাম নগদ বিল গ্রহণ না করে কৃষকদের কাছ থেকে ধান আদায় করে আসছেন। তিনি স্থানীয় বালিয়াদিঘি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

স্থানীয় কয়েকজন কৃষকের দাবি, তারা সেচ বিল নগদ পরিশোধ করতে চাইলেও তা গ্রহণ করা হয় না; বরং নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ধান দিতে বাধ্য করা হয়। প্রতিবাদ করলে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সেচ বন্ধ করে দেয়ার হুমকিও দেয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রফিকুল ইসলাম বলেন, কারও কাছ থেকে জোর করে ধান নেয়া হয় না। ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। সরকারি নিয়মে প্রতি ঘণ্টা সেচের জন্য ১৫০ টাকা বিল নির্ধারিত থাকলেও এতে লোকসান হওয়ায় অনেক কৃষক ধানের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করেন।

এ বিষয়ে বিএমডিএ বগুড়া জেলা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তার জানা ছিল না। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি আগামী সেচ মৌসুম থেকে সমবায় সমিতির মাধ্যমে পাম্প পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।