রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়ন বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শোয়েব খান ও এক স্টাফের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন অফিসে অনুপস্থিত থেকেও সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে এক মাসের হাজিরা একসাথে স্বাক্ষর করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কয়েকজন স্টাফ নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকেন না। সরেজমিন দেখা যায়, কাগজে-কলমে চারজন স্টাফ থাকার কথা থাকলেও অফিসে উপস্থিত ছিলেন মাত্র দুইজন। অভিযোগ রয়েছে, কর্মকর্তা ও এক স্টাফ অধিকাংশ সময় নিজ বাড়িতে অবস্থান করেন।
অফিস স্টাফদের বক্তব্যেও মিল পাওয়া যায়নি। এক স্টাফ জানান, কর্মকর্তা অফিসে আছেন। তবে অপর এক কর্মচারী বলেন, কয়েকদিন ধরেই তিনি অফিসে আসেননি। হাজিরা খাতা সম্পর্কেও ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। এক কর্মচারী জানান, ১০ থেকে ১২ দিন ধরে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর হয়নি, কারণ কর্মকর্তা খাতাটি সাথে নিয়ে গেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বন কর্মকর্তা মাসের শেষদিকে অফিসে এসে কয়েকদিন অবস্থান করেন এবং বনের গাছ বিক্রি ও চর ইজারার নামে অনিয়ম করেন। তারা বন সংরক্ষণে কর্মকর্তাদের নিয়মিত দায়িত্ব পালনের দাবি জানিয়েছেন।
রাঙ্গাবালী উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা বলেন, বিট কর্মকর্তা কোনো ছুটিতে নেই, তবে তিনি হয়তো বাড়িতে আছেন। জেলা সহকারী বন সংরক্ষক নুরুন্নাহার জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল হাসান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।



