জন্মহার কমে যাওয়া বিপর্যয় : এরদোগান

Printed Edition

নিউ ইয়র্ক টাইমস

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান জন্মনিয়ন্ত্রণকে একটি ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ এবং দেশের জন্মহার কমে যাওয়াকে ‘বিপর্যয়’ বলে অভিহিত করেছেন।

তুরস্কের শীর্ষ রাজনীতিবিদ হিসেবে তার ২৩ বছরের মেয়াদের বেশির ভাগ সময়ই তিনি তুর্কিদের বেশি সন্তান নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সেই সাথে তিনি এমন এক ঐতিহ্যবাহী পরিবারের প্রচার চালিয়েছেন যেখানে বাবারা উপার্জন করবেন আর মায়েরা ঘরের পাশাপাশি অন্তত তিন বা তার বেশি সন্তান লালন-পালনে মনোযোগ দেবেন।

সম্প্রতি এরদোগান বলেন, ‘কেন অন্তত চার বা পাঁচটি সন্তান নয়?’ তিনি মনে করেন, বেশি জন্মহার তুরস্ককে ‘ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালীভাবে এগিয়ে যেতে’ সক্ষম করবে।

তুরস্কের মোট প্রজনন হার (একজন নারীর গড় সন্তান জন্মদানের সংখ্যা) এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কমছে। বর্তমানে এই হার ২.১-এর চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে নিচে নেমে গেছে, যা কোনো দেশে অভিবাসন ছাড়া জনসংখ্যা স্থিতিশীল রাখার জন্য ন্যূনতম প্রয়োজনীয় স্তর।

যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিশ্বের অনেক দেশই এখন জন্মহার কমে যাওয়ার সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। নীতিনির্ধারকদের আশঙ্কা, কর্মক্ষম জনসংখ্যা কমে গেলে শ্রমিকের ঘাটতি দেখা দেবে, পেনশন তহবিল দেউলিয়া হবে এবং অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়বে।