মেলান্দহ (জামালপুর) সংবাদদাতা
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার খাবুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য সরকারি বরাদ্দে দেয়া দু’টি ল্যাপটপ দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের বাইরে ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, একটি ল্যাপটপ প্রধান শিক্ষক এবং অন্যটি উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বাসায় রয়েছে।
জানা গেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদানের জন্য সরকার ল্যাপটপ, প্রজেক্টর, মডেমসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে। কিছু প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী বেশি থাকায় দু’টি করে ল্যাপটপ দেয়া হয়। তবে সীমিত শিক্ষার্থী থাকা সত্ত্বেও খাবুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও দু’টি ল্যাপটপ বরাদ্দ দেয়া হয়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, তারা কখনো স্কুলে ল্যাপটপ দেখেনি কিংবা প্রজেক্টরের মাধ্যমে ক্লাসও করেনি। বড় পর্দায় পাঠ নেয়ার ইচ্ছা থাকলেও সেই সুযোগ থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফ উদ্দিন বলেন, স্কুলে নাইটগার্ড নেই। একটি ল্যাপটপ আমার বাড়িতে আছে, আরেকটি স্যার নিয়েছেন।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন বলেন, অফিসের বিভিন্ন অনলাইন কাজের প্রয়োজনে একটি ল্যাপটপ নেয়া হয়েছে। এখন আমার বাসায় আছে, প্রয়োজন হলে ফেরত দেয়া হবে।
এ বিষয়ে মেলান্দহ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী চকদার বলেন, স্কুলের ল্যাপটপ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। তবে বিষয়টি আগে তার জানা ছিল না।



