বিনোদন প্রতিবেদক
আমাদের মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক শিল্পীই এসেছেন নিজে প্রতিষ্ঠিত হতে, বিখ্যাত হতে এবং অনেক সম্পদ করতে। তারা নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত থেকেছেন আজীবন। আবার কেউ কেউ আছেন একটু খ্যাতি আর সম্মানের আশায় মিডিয়াতে কাজ করেন। মিডিয়াতে থেকেই তিনি নিজের কথা বেশি না ভেবে সমাজের জন্য, সমাজের মানুষের জন্য অনেক ভাবেন। এই প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ সেই শিল্পী বা অভিনেতা-পরিচালক যিনি অভিনয় দিয়ে সবার মন জয় করলেও সমাজের জন্য, সমাজের মানুষের জন্য আজীবন কিছু করে যেতে চান। সেই লক্ষ্যে পলাশ নিজ উদ্যোগে ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন’। এই ফাউন্ডেশন থেকে মূলত মা ও শিশুদের নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ পরিচালিত হয়। এরই মধ্যে গত মাস থেকে চট্টগ্রামে মা ও শিশুদের সুবিধার কথা চিন্তা করে ‘ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করা হয়েছে তার ‘ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন’ থেকে। আপাতত বিশটি ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে পাঁচটির কাজ শুরু হয়ে গেছে। জিয়াউল হক পলাশ বলেন, ‘কিছু দিন আগেই আমার সন্তানের ব্রেস্ট ফিডিং করানো নিয়ে সমস্যায় পড়েছিলাম। তখনই আমি মনে মনে পরিকল্পনা করি ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার প্রতিষ্ঠার। গত মাস থেকে চট্টগ্রামে কাজ শুরু হয়েছে। চট্টগ্রামের মেয়র এ বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা করছেন। সত্যি বলতে কী ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন থেকে আমি মা ও শিশুদের জন্যই আজীবন কাজ করে যেতে চাই। এমন কিছু করে যেতে চাই যেন আমি কখনো না থাকলেও ডাকবাক্স থেকেই যুগের পর যুগ যেন মা ও শিশুদের জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাওয়া হয়। ডাকবাক্স-প্রতিষ্ঠার পর অমি ভাই থেকে শুরু করে যাদের কাছ থেকেই আমি অনুপ্রেরণা পেয়েছি, সাহস পেয়েছি তাদের প্রত্যেকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা।’ পলাশের বাবা মজিবুল হক মজিব, মা ফাতেমা আক্তার কাজল। গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে হলেও তার বেড়ে ওঠা ঢাকার নাখালপাড়ায়। ২০১২ সালে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সহকারী হিসেবে দুই বছর; পরে ইশতিয়াক আহমেদ রুমেলের সহকারী হিসেবে আরো চার বছর কাজ করার পর নিজেই পরিচালক হিসেবে প্রথম ইরফান সাজ্জাদ ও সাবিলা নূরকে নিয়ে ‘ফ্রেন্ডস উইথ বেনিফিট’ তৈরি করেন।



