লড়াই করার স্বপ্ন পানামার

আর বাকি ২৩ দিন

Printed Edition

ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে ফিরছে মধ্য আমেরিকার দল পানামা। পানামা জাতীয় দল আট বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে এবং এবার তারা শুধু অংশগ্রহণ নয়, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেই মাঠে নামতে চায়।

২০২৬ বিশ্বকাপে জায়গা পেতে কঠিন বাছাইপর্ব অতিক্রম করতে হয়েছে পানামাকে। প্রথম ধাপে তারা নিজেদের গ্রুপে অপরাজিত থেকে নিকারাগুয়া, গায়ানা, মন্টসেরাত ও বেলিজকে হারিয়ে শীর্ষে থাকে। এই পর্যায়ে তারা ১০ গোল করে এবং হজম করে মাত্র ১টি।

দ্বিতীয় ধাপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরো কঠিন হয়। সুরিনাম, গুয়াতেমালা ও এল সালভাদরের বিপক্ষে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় তুলে নেয় পানামা। শেষ ম্যাচে এল সালভাদরের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জিতে তারা বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করে। পানামা প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেয় ২০১৮ সালে। সেবার তারা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। তবে সেই আসরে ফিলিপে রামিরেজের করা গোলটি ছিল দেশের ইতিহাসে প্রথম বিশ্বকাপ গোল, যা আজও স্মরণীয়।

আসন্ন বিশ্বকাপে পানামা খেলবে ‘গ্রুপ এল’-এ। তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে শক্তিশালী ইংল্যান্ড ক্রোয়েশিয়া ও ঘানা

২০২০ সাল থেকে দলের দায়িত্বে আছেন টমাস ক্রিশ্চিয়ানসেন । তার অধীনে দলটি ধারাবাহিক উন্নতি করেছে। ২০২৩ গোল্ড কাপ ও ২০২৫ নেশনস লিগের ফাইনালে পৌঁছানো তারই প্রমাণ।

দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের মধ্যে আছেন ফরোয়ার্ড হোসে নেলসন, সেসেলো আলবার্তো কারাস্কুইল্লা। এ ছাড়া অভিজ্ঞ আনিবাল গোডায় ও আমির মুরিল্লো দলের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে ইতোমধ্যে প্রীতি ম্যাচ খেলেছে পানামা। তারা দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে একটি ম্যাচ ড্র করে এবং আরেকটিতে জয় পায়। এ ছাড়া টুর্নামেন্টের আগে ব্রাজিলের বিপক্ষে একটি বড় ম্যাচ খেলবে তারা।

কোচ ক্রিশ্চিয়ানসেন জানিয়েছেন, এবার তাদের লক্ষ্য শুধু অংশগ্রহণ নয়, বরং শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে সমানতালে লড়াই করা। তিনি বলেন, ‘শুধু গোল করলেই উদযাপন নয়, এখন সময় নিজেদের মান আরো উন্নত করার।’ সব মিলিয়ে, ২০২৬ বিশ্বকাপে পানামা একটি সম্ভাবনাময় দল হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করতে প্রস্তুত।