সেনবাগে ২ ভাইসহ বিভিন্ন স্থানে নিহত ৪

Printed Edition

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

সড়ক দুর্ঘটনায় নোয়াখালীর সেনবাগে দুই ভাই, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এক ব্যবসায়ী এবং কিশোরগঞ্জে পাকুন্দিয়ায় এক প্রবাসী নিহত হয়েছেন।

সেনবাগ (নোয়াখালী) সংবাদদাতা জানান, নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে দুই ভাই নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা আরো এক আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার রাত ৮টার দিকে সেনবাগ উপজেলার কানকিরহাট-ছাতারপাইয়া-সোনাইমুড়ী সড়কের কেশারপাড় এলাকার মুন্সি দোকান সংলগ্ন স্থানে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- সেনবাগ উপজেলার ডমুরুয়া গ্রামের মুসলিম স্বর্ণকার বাড়ির সিএনজি অটোরিকশাচালক মো: আলমের দুই ছেলে আসিফ ও আরিফ। আহত শাওন একই গ্রামের সিএনজি অটোরিকশাচালক মো: শাহজাহানের ছেলে। গুরুতর আহত শাওনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা জানান, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আতাউর রহমান (৫২) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরো দু’জন আহত হয়েছেন। এলাকাবাসী ও দৌলতপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর মাঠপাড়া নামক স্থানে দু’টি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের গরুড়া গ্রামের উজির মণ্ডলের ছেলে আতাউর রহমান নামে এক ব্যবসায়ীসহ তিনজন গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে চিকিৎসক গুরুতর আহত ব্যবসায়ী আতাউর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় অপর আহতরা হলেন উপজেলার কৈপাল গ্রামের শুভ (৩২) ও দুঃখী পুর গ্রামের হুমায়ুন (২৩)।

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে রাকিবুল ইসলাম রুবেল (২৬) নামে এক সৌদি প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন রুবেল (৩৫) নামে আরেক যুবক। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত মোটরসাইকেলচালক রাকিবুল ইসলাম রুবেল উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়েনের কাহেৎধান্দুল গ্রামের খুর্শিদ মিয়ার ছেলে। তিনি দুই মাসের ছুটিতে বাড়িতে এসেছেন।

আহত মোটরসাইকেল আরোহী রুবেল একই গ্রামের ইসরাইল মিয়ার ছেলে। তিনিও ব্রুনাই প্রবাসী ছিলেন। তারা দুই বন্ধু ঈদের ছুটিতে একই সময়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন।