কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী ফকিরনীর হাটে টানা পাঁচ দিন অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট বসানোর অনুমতি দেয়াকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। দীর্ঘদিন ধরে সপ্তাহে মাত্র দুই দিন বসা এ পশুর হাটে অতিরিক্ত তিন দিনের অনুমতি দেয়ায় ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আশপাশের অন্যান্য পশুর হাটের ইজারাদাররা।
জানা গেছে, পাকিস্তান আমল থেকে কর্ণফুলীর বড়উঠান ইউনিয়নের ফকিরনীর হাট প্রতি সপ্তাহে রোববার ও বুধবার বসে আসছে। চলতি ঈদ মৌসুমে প্রথমে ৩ মে, ২৪ মে ও ২৭ মে হাট বসানোর অনুমতি দেয়া হলেও পরে স্থানীয় সরকার বিভাগের চট্টগ্রামের উপপরিচালকের স্বাক্ষরিত স্মারকে ২৩ মে থেকে ২৭ মে পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের জন্য অস্থায়ী পশুর হাট পরিচালনার অনুমোদন দেয়া হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্র জানায়, ‘হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা, ২০২৫’-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী হাটসংলগ্ন ব্যক্তি মালিকানাধীন দু’টি খালি জায়গায় অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর অনুমতি দেয়া হয়েছে।
এ সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়ে মইজ্জ্যারটেক পশুর হাটের ইজারাদার মো. আলমগীর উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। তার দাবি, সপ্তাহে দুই দিন হাট বসবে, এই হিসাব ধরেই তারা প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। এখন টানা পাঁচ দিনের অনুমতি দেয়ায় ব্যবসায়িক ভারসাম্য নষ্ট হবে এবং অধিকাংশ পশু ব্যবসায়ী ফকিরনীর হাটমুখী হয়ে পড়বেন।
কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজিব কান্তি রুদ্র বলেন, বিধিমালা অনুযায়ী বৈধভাবেই পশুর হাট পরিচালিত হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানও জানান, জেলা প্রশাসকের এ ধরনের অনুমতি দেয়ার এখতিয়ার রয়েছে।



