হত্যা ও পুশইনের প্রতিবাদে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ১১ দলের বিক্ষোভ

Printed Edition

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক অব্যাহত হত্যাকাণ্ড এবং জোরপূর্বক ‘পুশইন’ বা অনুপ্রবেশের চেষ্টার প্রতিবাদে দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে ১১ দলীয় রাজনৈতিক ঐক্যজোট। জোটের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জেলা ও উপজেলায় এই প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশগুলোতে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ১০০ দিনে বিএসএফের গুলিতে ১৯ জন বাংলাদেশী নিহত ও ২৪ জন আহত হয়েছেন। সম্প্রতি ভারত সরকার তাদের নাগরিকদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তা স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও মানবাধিকারের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারী এসব আগ্রাসী কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধে সরকারকে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান নেতারা।

যশোর (বেনাপোল) : বেনাপোলের রহমান চত্বরে জেলা জামায়াতের আমির ও সংসদ সদস্য গোলাম রসুলের সভাপতিত্বে বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মাওলানা আজীজুর রহমান। বক্তারা প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক বজায় রেখে সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের স্থায়ী অবসান দাবি করেন।

নওগাঁ ও দিনাজপুর : নওগাঁর ধামইরহাটে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো: এনামুল হক। অন্য দিকে দিনাজপুরের বিরামপুরে জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

মৌলভীবাজার ও অন্যান্য জেলা : মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা বাজার এবং কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর বাজারে পৃথক সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা আমির মাওলানা মো: মোবারক হোসাইনের নেতৃত্বে, ফেনীতে মুফতি আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গণে ১১ দলের যৌথ উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। একই দাবিতে পঞ্চগড়, লালমনিরহাট ও সিলেটের গোয়াইনঘাটসহ দেশের অন্যান্য সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতেও দলীয় নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।