প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

Printed Edition

গতকাল বুধবার দৈনিক নয়া দিগন্তের দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় প্রকাশিত ‘ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে খাতা চুরি’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার। এক প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেন, আমাদের একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ময়লা আবর্জনা উত্তরপত্রের ব্যাগে ভর্তি করে ট্রলিতে নিয়ে ডাস্টবিনে ফেলার জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময়ে কেউ একজন ওই ছবিটি তুলেছে। প্রকৃতপক্ষে এটা খাতা চুরির কোনো ঘটনা ছিল না। সংবাদটি নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে তাই এই সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।

প্রতিবেদকের বক্তব্য

প্রকাশিত প্রতিবেদনে এবং ছবিতে এসএসসির উত্তরপত্র পরিবহনের জন্য যে ব্যাগ বা বস্তা ব্যবহার করা হয় সেই ব্যাগে করেই পুরাতন খাতা কিংবা ময়লা বোর্ডের বাইরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাকেই ঝুঁকিতে ফেলেছে। এ ছাড়া উত্তরপত্র পরিবহনের জন্য যে ব্যাগ বা বস্তা অতি গোপনীয়তায় ব্যবহার করার কথা সেই ব্যাগ পুরাতন খাতা বা ময়লা ফেলার জন্য ব্যবহার লাখ লাখ পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকের মনে প্রশ্ন তৈরি করেছে বৈকি। নিউজে ব্যবহৃত হয়নি এমন একটি ছবি প্রতিবাদলিপিতে ব্যবহার করে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মূলত নিজের ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন । সারা দেশের মানুষের কাছে যখন এসএসসির উত্তরপত্র একটি অতি সংবেদনশীল এবং গোপনীয় বিষয় উত্তরপত্র পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত ব্যাগ বা বস্তা কেন ময়লা ফেলার কাজে ব্যবহার হলো তার কোনো ব্যাখ্যা বা কৈফিয়তও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দেননি। ভবিষ্যতে উত্তরপত্র বিতরণ ও পরিবহণে আরো সতর্কতা তৈরিতে এমন অসঙ্গতি তুলে ধরাই দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের কাজ।