কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত হওয়ার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেয়েছে। এতে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হতে যাচ্ছে। তবে হাসপাতালজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা রোগী ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
গত শনিবার বিকেলে সরেজমিন দেখা যায়, হাসপাতালের সীমানাপ্রাচীরের বিভিন্ন অংশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। মূল ফটক ও ওয়ার্ড এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মী না থাকায় বহিরাগতদের অবাধ যাতায়াত চলছে। এতে নারী রোগীদের নিরাপত্তা, রোগীদের ব্যক্তিগত মালামাল এবং হাসপাতালের সরঞ্জাম চুরির ঝুঁকি বেড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার বিপুল জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবার প্রধান ভরসা এই হাসপাতাল। রোগীর চাপ বিবেচনায় বহু বছর ধরে এটিকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন তারা। আগের সরকারের আমলে নতুন ভবন নির্মাণ শেষ হলেও প্রশাসনিক জটিলতায় তা কার্যকর হয়নি।
সম্প্রতি কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের উদ্যোগে হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়। গত ১২ মে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শুক্লা সরকারের সই করা এক চিঠিতে এ অনুমোদনের তথ্য জানানো হয়। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী বলেন, নিরাপত্তার ঘাটতির কারণে বিশেষ করে নারী রোগীরা অস্বস্তি ও আতঙ্কে থাকেন। দালালদের তৎপরতাও মাঝে মধ্যে দেখা যায়। চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার অনুমোদনের চিঠি আমরা পেয়েছি। মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেয়া হবে।



