পরিবেশ বিপর্যয় ঠেকাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিপর্যয় ঠেকাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই মন্তব্য করে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বাংলাদেশ যদি জীবাশ্ম জালানির এই বেড়াজাল থেকে বের না হয়, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও বাংলাদেশ পরিবেশ বিপর্যয়ের মধ্যে পড়বে। এর পরিত্রাণে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক’ কর্মসূচিতে এ তাগিদ দেয়া হয়।

এতে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ানোর ওপর তাগিদ দিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য অধিগ্রহণের নামে কৃষি জমি ধ্বংস করা হয়েছে। পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র নদীর পানির দূষণ বাড়াচ্ছে। নদীতে মাছের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। জেলেরা বেকার হয়ে পড়ছে।

সম্প্রতি কলম্বিয়াতে অনুষ্ঠিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করা ফারিহা অমিও বলেন,

“সম্মেলনে ৫৭ দেশ অংশগ্রহণ করে। দেশগুলো জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বের হয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিলেও বাংলাদেশ সেখানে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। বাংলাদেশ যদি জীবাশ্ম জালানির এই বেড়াজাল থেকে বের না হয়, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও বাংলাদেশ পরিবেশ বিপর্যয়ের মধ্যে পড়বে।

বাংলাদেশের জ্বালানি খাত জীবাশ্ম নির্ভর হওয়ায় বছরে ৪২ বিলিয়ন ডলার গুনতে হয় দাবি করে তিনি বলেন, এতে দেশে ঋণের পরিমাণ বাড়ছে, যা তরুণ প্রজন্ম ও বাংলাদেশকে এই ঋণের বোঝা সারা জীবন টানতে হবে।

পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সংগঠন ব্রাইটার্সের পরিচালক সাইদুর রহমান সিয়াম বলেন, পরিবেশগত সঙ্কট ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা করতে হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের কোনো বিকল্প নাই। জলবায়ু ন্যায্যতা নিরসন করতে হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে পারে একমাত্র পথ। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ব্রাইটার্স, ওএবি ফাউন্ডেশন, ইউডো, ক্লাইমেট রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, ব্রতী, ওয়েলবিইং কেয়ার ফাউন্ডেশন, ইয়ুথ নেটওয়ার্ক ফর ডেভেলপমেন্টসহ বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা।