ক্রীড়া প্রতিবেদক
জামাল ভূঁইয়াকে দিয়ে শুরু। আর সর্বশেষ সংযোজন রোনান সুলিভান ও ডেক্লান সুলিভান। যাদের কল্যানে অনূর্ধ্ব-২০ পুরুষ সাফে বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন হওয়া। তবে ইংল্যান্ড প্রবাসী হামজা চৌধুরী বাংলাদেশে আসার পর যে জাগরণ শুরু হয়েছে দেশে ও বিদেশে তাতে আরো প্রবাসী খেলোয়াড় আসতে শুরু করেছে। এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ট্রেভর ইসলাম বাংলাদেশের জন্ম নিবন্ধনপত্র পেয়েছেন। এখন দেশে এসে ট্রায়ালে জাতীয় দলের কোচদের পাশ মার্ক পেলেই তার গায়ে তোলা হবে লাল-সবুজ জার্সি। তিনি জাতীয় দলের জন্য। এ ছাড়া এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় দলে রোনান সুলিভান ও ডেক্লান সুলিভানের সাথে জাতীয় দলের ক্যাম্পে আসবেন শুশ্রত মণ্ডল। তিনি কানাডা প্রবাসী ডিফেন্ডার। গত বছর প্রবাসী ফুটবলারদের যে ট্রায়াল নিয়েছিল বাফুফে তখন এসেছিলেন তিনি। তবে ইনজুরির জন্য মাঠে নামা হয়নি। এখন তিনি সুস্থ। এ ছাড়া আরো একজন প্রবাসী ফুটবলারের অপেক্ষায় বাফুফে। জানান বাফুফের সহসভাপতি ফাহাদ করিম। এর বাইরে আরো ছয় ফুটবলার আছে বাংলাদেশ দলে চান্স পাওয়ার দৌড়ে। এরা বয়সভিত্তিক জাতীয় দলের জন্য। রয়েছেন দুই নারী ফুটবলারও। একজন যুক্তরাজ্য প্রবাসী শায়লা আহমেদ। অপর জন কানাডা প্রবাসী দীর্ঘদেহী এক ফুটবলার। তাদের বাফুফের ট্রায়ালে যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে।



