বাংলাদেশ-পাকিস্তান এডুকেশন এক্সপো

উচ্চ শিক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি জ্ঞান বিনিময় করতে চায় পাকিস্তান

Printed Edition
সিলেটের শাবিপ্রবিতে পাকিস্তান-বাংলাদেশ এক্সপো উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথিরা
সিলেটের শাবিপ্রবিতে পাকিস্তান-বাংলাদেশ এক্সপো উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথিরা

সিলেট ব্যুরো

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিতীয় এডুকেশন এক্সপো উদ্বোধন করা হয়েছে।

গতকাল রোববার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউ সোশ্যাল সায়েন্স ভবনে ফিতা কেটে যৌথভাবে এক্সপো উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও শাবিপ্রবির ভিসি অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি অধ্যাপক ড. মো: সাজেদুল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইসমাইল হোসেন ও পাকিস্তান হাইকমিশনের কর্মকর্তারা। দিনব্যাপী এ মেলায় পাকিস্তানে উচ্চ শিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

শাবিপ্রবির সাথে মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, বাংলাদেশ-পাকিস্তান দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বপূর্ণ অংশীদারত্ব চায়। চিকিৎসা, বিজ্ঞান ও মানবিকের বিভিন্ন শাখায় পিএইচডিসহ বিভিন্ন উচ্চতর গবেষণার সুযোগ রয়েছে দু’দেশের মধ্যে।

উচ্চ শিক্ষায় বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের সাথে দীর্ঘমেয়াদি জ্ঞান বিনিময় করতে চায় পাকিস্তান। তিনি বলেন, পাকিস্তানের কয়েকটি প্রদেশের সাথে সিলেটের বেশ মিল রয়েছে। এখানকার সংস্কৃতি ও ভৌগোলিক মিল রয়েছে। নলেজ শেয়ারের মাধ্যমে দু’দেশের বন্ধুত্ব দৃঢ় হবে আশা প্রকাশ করেন।

হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ-পাকিস্তান নলেজ করিডোরের আওতায় পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ৫০০ বাংলাদেশী শিক্ষার্থীকে ফুলব্রাইট স্কলারশিপ দেয়া হচ্ছে। ২০২৫ সালে প্রথম এ যাত্রা শুরু হয়। তখন ৬০০ শিক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন। যাচাই-বাছাই করে ৭৪ জনকে স্কলারশিপ দেয়া হয়। ইতোমধ্যে তারা পাকিস্তানে অধ্যয়ন করছেন।

শাবিপ্রবির ভিসি অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশ। আমার পরিবারের তিন প্রজন্মের তিন দেশে জন্মস্থান। এখানকার সংস্কৃতি ও জীবনমানের বেশ মিল রয়েছে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়য়গুলোর সাথে গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময় করতে আগ্রহী শাবিপ্রবি। তিনি পাকিস্তানকে বন্ধুত্বের এ ধারা অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মো: আব্দুল কাদির, পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক আফম জাকারিয়া, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দফতরের পরিচালক আহমদ মাহবুব ফেরদৌস, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ফয়ছল আহমদ প্রমুখ।

মেলায় অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে, বাহরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামাবাদ, পাক-অস্ট্রিয়া ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন করাচি, ইউনিভার্সিটি অব এগ্রিকালচার ফয়সালাবাদ, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব কম্পিউটার অ্যান্ড ইমার্জিং সায়েন্স, ইকরা ইউনিভার্সিটি করাচি, এনইডি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি করাচি, ডিও ডব্লিউ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্স, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব মডার্ন ল্যাংগুয়েজ ইসলামাবাদ, ইউনিভার্সিটি অব পেশওয়ার, ইউনিভার্সিটি অব লাহোর, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, কমস্যাটস ইউনিভার্সিটি ইসলামাবাদ, লিয়াকত ইউনিভার্সিটি অব মেডিক্যাল অ্যান্ড হেলথ সায়েন্স, পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড এপ্লাইড সায়েন্সস, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ইসলামাবাদ, ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সস, লুমস ইউনিভার্সিটি।