নয়া দিগন্ত ডেস্ক
পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নীলফামারিতে এক গৃহবধূ ও চুয়াডাঙ্গায এক কৃষক নিহত হয়েছেন।
নীলফামারী প্রতিনিধি জানান, নীলফামারীতে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে মাবিয়া আক্তার (৫০) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। রোববার বেলা ১টার দিকে নীলফামারী-দেবীগঞ্জ সড়কের বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মাবিয়া সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ধোবাডাঙা বাগানবাড়ি এলাকার আনিসুর রহমানের স্ত্রী। পুলিশ জানায়, নীলফামারী থেকে পঞ্চগড়গামী ‘আশিকি পরিবহন’ নামের একটি বাসের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি উল্টে যায়। এ সময় যাত্রী মাবিয়া আক্তার গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর বাসচালক পালিয়ে গেলেও স্থানীয় লোকজন বাসটি আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি জানান, চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোজাম হোসেন (৫৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার ভোরে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের পাঁচমাইল ভাণ্ডারদোহা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর ঘাতক পিকআপটি দ্রুত পালিয়ে যায়। নিহত মোজাম হোসেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নতুন ভাণ্ডারদোহা গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার ভোরে নিজ বাড়ি থেকে পাঁচ মাইল বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মোজাম হোসেন। পথে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ মহাসড়ক পার হওয়ার সময় ঝিনাইদহ থেকে চুয়াডাঙ্গাগামী একটি দ্রুতগতির পিকআপ তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে সড়কে লুটিয়ে পড়েন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, রাস্তা পারাপারের সময় পিকআপের ধাক্কায় এক কৃষক নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর পিকআপটি পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।



