নয়া দিগন্ত ডেস্ক
রাজধানীর মিরপুর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন হয়েছে। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছেন।
ভোলা প্রতিনিধি জানান, শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদ এবং দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে ভোলায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোলা প্রেস কাবের সামনে ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ ভোলা জেলা শাখার আয়োজনে এ কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জাগরণ ফাউন্ডেশনের নেত্রী শাহানাজ বেগম চিনু, সংগঠক মীর মোশারেফ অমি, এনসিপি নেতা শরীফ হোসেন, ভোলা জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা রাশেদ হোসেনসহ অন্যরা।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ঢাকার পল্লবীতে শিশু রামিশার সাথে যে নৃশংস ও পৈশাচিক ঘটনা ঘটেছে, তা পুরো দেশের মানুষের হৃদয়ে নাড়া দিয়েছে। সভ্য সমাজে এমন বর্বরোচিত ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আমরা অবিলম্বে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এই ঘটনার সাথে জড়িত ধর্ষক ও খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
দেশে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তাহীনতার চিত্র তুলে ধরে তারা আরো বলেন, ‘আজ ঘরে-বাইরে কোথাও শিশু ও নারীরা নিরাপদ নয়। এই নিরাপত্তার ব্যর্থতার দায় রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যদি অতি দ্রুত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হয়, তবে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে আরো কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।’
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল-পরবর্তী সময়ে প্রতিনিধিদলটি ভোলা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করে। কর্মসূচিতে বক্তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রশাসনকে আরো কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান।
দাগনভূঞা (ফেনী) সংবাদদাতা জানান, ধর্ষণের শিকার হয়ে নির্মমভাবে প্রাণ হারানো শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদ এবং ধর্ষণের সর্বনিম্ন শাস্তি ‘ফাঁসি’ করার দাবিতে ফেনীর দাগনভূঞায় বিােভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় সর্বস্তরের জনতা ও সাধারণ শিার্থীদের সমন্বয়ে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
জুলাইযোদ্ধা প্রিন্স মাহমুদ আজিমের নেতৃত্বে একটি বিশাল বিােভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আতাতুর্ক সরকারি হাই স্কুল গেট থেকে শুরু হয়ে পেট্রল পাম্প এলাকা প্রদণি করে জিরো পয়েন্টে এসে মিলিত হয়।
সেখানে এক সংপ্তি মানববন্ধন ও আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং শেষে মিছিলটি পুনরায় আতাতুর্ক স্কুল গেটে গিয়ে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।
প্রিন্স মাহমুদ আজিম বলেন, ‘সমাজে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এই ধরনের জঘন্য অপরাধের পুনরাবৃত্তি রুখতে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তির পাশাপাশি সর্বনিম্ন শাস্তিও মৃত্যুদণ্ড বা ফাঁসি ঘোষণা করতে হবে। রামিসা হত্যার বিচার যেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হয়, আজ এটাই আমাদের একমাত্র দাবি।’
ববি প্রতিনিধি জানান, ছোট্ট শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদসহ দেশজুড়ে চলমান নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতা-নিপীড়ন প্রতিরোধ এবং দ্রুত ন্যায়বিচারের দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিার্থীরা অবিলম্বে এসব জঘন্য অপরাধ বন্ধে সরকারকে কঠোর পদপে নেয়ার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে ‘বিশ্ববিদ্যালয় সংগঠক গ্রুপ’-এর আয়োজনে এবং সব সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সাধারণ শিার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত সহকারী প্রক্টর ড. মো: গাজী সাখাওয়াত হোসেন সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেন।
মানববন্ধনে শিার্থীদের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত সহকারী প্রক্টর ড. মো: গাজী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমি আজ এখানে প্রশাসনের প্রতিনিধি হিসেবে নয়; বরং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক শিার্থী এবং একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে নিজের নৈতিকতা থেকে দাঁড়িয়েছি। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাইÑ আপনি এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার করে দেশে একটি নতুন ও কঠোর দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন। আমাদের জন্য একটি নিরাপদ সমাজ ও আইনের শাসন নিশ্চিত করুন। আমরা আর বিচার চেয়ে রাস্তায় আসতে চাই না। কোনো ধরনের সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা আমাদের কাম্য নয়।’
খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে নেতৃবৃন্দ গভীর উদ্বেগের সাথে বলেন, হত্যাকাণ্ড, মাদক, অশ্লীলতা, কিশোর গ্যাং, ছিনতাই প্রভৃতি অপরাধের মাত্রা বাংলাদেশে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ৯ দিনে শিশু ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে পাঁচটি। রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা সব হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। অবিলম্বে রামিসার হত্যাকারীসহ সব অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানাই। কোরবানি ঈদকে কেন্দ্র করে হাট-বাজার ও সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর তৎপরতায় দুর্বলতা ও বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রিতার কারণে দেশে অপরাধের মাত্রা দিন দিন বাড়ছে। রাষ্ট্রের সর্বস্তরে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে আরো মনোযোগ দিতে হবে। সুশাসন নিশ্চিত এবং শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমীর সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, অধ্যাপক আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, বায়তুলমাল সম্পাদক আলহাজ আবু সালেহীন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শায়খুল ইসলাম, যুববিষয়ক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম তুহিন, খন্দকার শাহাবুদ্দিন আহমদ, মুফতি আবদুল হক আমিনী, জিল্লুর রহমান, মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, আবুল হোসেন, প্রিন্সিপাল মাওলানা আজিজুল হক, আমির আলী হাওলাদার প্রমুখ।
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী মহিলা বিভাগের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেস কাব প্রাঙ্গণে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ধর্ষক ও শিশু হত্যাকারীদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবি জানানো হয়।
মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি ফরিদা পারভিনের সভাপতিত্বে ও নগর কর্মপরিষদ সদস্য রহিমা আক্তার রিংকুর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নগর মহিলা বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আয়েশা পারভিন ও রেহেনা আক্তার রেনু, নগর কর্মপরিষদ সদস্য রাবেয়া বেগম ও ছাত্রী দায়িত্বশীলা শাফকাত হান্নানা ইফফাত।
মানববন্ধনে বক্তারা শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের দ্রুতবিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কার্যকর সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।
নোয়াখালী অফিস জানায়, রাজধানীর পল্লবী এলাকায় সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে নোয়াখালীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের সড়কে সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নারী অধিকার জোটের সভাপতি লায়লা পারভীন, নারীনেত্রী বিবি মরিয়ম, উন্নয়নকর্মী ফারজানা তিথি, ব্যবসায়ী সুমন নূর, অমিত পাল প্রমুখ। বক্তারা বলেন, একের পর এক নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে দেশে অপরাধ বেড়ে চলেছে। রামিসার পরিবারের হতাশা তারই প্রতিফলন। তারা অবিলম্বে ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচারের দাবি জানান।
কুমিল্লা প্রতিনিধি জানান, শিশু রামিসা হত্যার বিচার দাবিতে কুমিল্লায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের শিক ও শিার্থীরা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর পুলিশ লাইনে শিশু রামিসার হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবিতে কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্য মহিউদ্দিন লিটন বলেন, এ নির্মম ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুতবিচার নিশ্চিত করতে হবে। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কুমিল্লার সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খান বলেন, এ ধরনের নৃশংসতা মানবতার জন্য লজ্জাজনক। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।
শেরপুর প্রতিনিধি জানান, ঢাকায় শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত দৃষ্টাস্তমূলক শাস্তির দাবিতে শেরপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে বক্তারা রামিসা হত্যার দায় স্বীকারকারী খুনিদের প্রকাশ্যে ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার শেরপুর শহরের খরমপুর মোড়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আজকের তারুণ্য’-এর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন শেরপুরে বসবাসরত রামিসার চাচা শফিউদ্দিন মোল্লা। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি রবিউল ইসলাম রতনের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য দেন সাংবাদিক রফিক মজিদ, মাসুদ হাসান বাদল, সাবেক কাউন্সিলর মাসুদ রানা, শ্রমিক দল নেতা শওকত হোসেন, উত্তরা স্পেশালাইজড হাসপাতাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: যোবায়ের রহমান বিপ্লব প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, অভিযুক্ত মাসুদ রানা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়ে অপরাধ স্বীকার করেছেন। তাই দ্রুতবিচার সম্পন্ন করে সরকারের নির্বাহী মতায় প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা উচিত।
সাতীরা প্রতিনিধি জানান, শিশু রামিসা হত্যাসহ সারা দেশে খুন, অপহরণ, নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সাতীরায় মানববন্ধন ও গণ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন উন্নয়ন সংগঠন, স্বেচ্ছসেবী সংগঠন ও মানবাধিকার কর্মীরা। বৃহস্পতিবার সাতীরা প্রেস কাব গেটের সামনে ও শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের শহীদ মিনারের পাদদেশে পৃথকভাবে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানবাধিকার কর্মী ও উন্নয়ন সংগঠন স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্তের সভাপতিত্বে বেলা ১০টায় প্রেস কাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, হেড সংস্থার পরিচালক লুইস রানা গাইন, মহিলা অধিদফতরের প্রতিনিধি তাসলিমা রিঙ্কি, যুব প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম অন্তর, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জোছনা দত্ত, ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ প্রমুখ।
খুন ধর্ষণ ও দুর্নীতির সাথে জড়িতদের শরিয়া আইনে বিচার করতে হবে - মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী
নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী খুন ধর্ষণ বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, প্রচলিত বিচারব্যবস্থার ওপর মানুষের এখন আর আস্থা নেই। দেশে শরিয়া আইন চালু করতে হবে। খুন ধর্ষণ ও দুর্নীতির সাথে জড়িতদের শরিয়া আইনে বিচার হলে তখন দেশে খুন ধর্ষণ ঘুষ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতিসহ কোনো অপরাধ থাকবে না। এই জন্য প্রয়োজন কুরআন-সুন্নাহর আলোকে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠা। এ ল্েয সবাইকে খেলাফত আন্দোলনের ব্যানারে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার সংগঠনের ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলা শাখার প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খেলাফত আন্দোলন দৌলতখান উপজেলা আমির মাওলানা নুরনবীর সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব মাওলানা আবদুর রহিমের সঞ্চালনায় প্রধান মেহমান ছিলেন কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও ভোলা জেলা আমির মাওলানা আবদুর রহমান খান তালুকদার, জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাইফুর রহমান ওসমানী, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, মাওলানা হাবিবুল্লাহ তাহেরী, মাওলানা আব্দুল মালেক, মোহাম্মাদ শাহীন আলম চৌধুরী, মুফতি আবদুল হান্নান, মুফতি নোমান কাসেমী প্রমুখ।
প্রতিনিধি সভায় মাওলানা কালিমুল্লাহকে প্রধান উপদেষ্টা, মাওলানা নুরনবীকে আমির ও হাফেজ সানাউল্লাহকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৭ সদস্যবিশিষ্ট দৌলতখান উপজেলা বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কমিটি পুনর্গঠন করা হয়।



