জি-৭ সম্মেলনে জেলেনস্কি

ইউক্রেন ইস্যুতে ‘কিছু করার’ আশা ট্রাম্পের

Printed Edition
ফ্রান্সের শহর এভিয়ানে জি-৭ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি  : ইন্টারনেট
ফ্রান্সের শহর এভিয়ানে জি-৭ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি : ইন্টারনেট

এএফপি

চার বছরের বেশি সময় ধরে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান চলছে। এই যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইউক্রেন বিষয়ে আলোচনার জন্য গতকাল মঙ্গলবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সাথে জি-৭ এর শীর্ষ নেতাদের বৈঠক করার কথা রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘হয়তো আমরা কিছু একটা করতে পারি।’ গত সোমবার থেকে ফ্রান্সের শহর এভিয়াঁয় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন। স্থানীয় সময় গতকাল সকালে শীর্ষ সম্মেলনের বিশেষ অধিবেশনে ইউক্রেন ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির অংশ নেয়ার কথা ছিল। দিনের পরের ভাগে ইরানবিষয়ক একটি অধিবেশনও অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আরব নেতারা অংশ নেবেন। এবারের সম্মেলনে ইউরোপীয় নেতারা ট্রাম্পকে স্মরণ করিয়ে দিতে চান যে ইউক্রেনকে মস্কোর শর্তে কোনো ধরনের ছাড় দিতে চাপ না দিয়ে বরং কিয়েভের শর্তে শান্তিচুক্তিতে রাজি হতে রাশিয়াকে চাপ দেয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে ইউক্রেনে রাশিয়ার সর্বশেষ হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হন এবং কিয়েভের একটি ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রালে আগুন ধরে যায়। গতকাল জেলনস্কি জি-৭ নেতাদের প্রতি ওই হামলার বিষয়ে একটি ‘বাস্তবসম্মত’ প্রতিক্রিয়া জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন। জেলেনস্কি জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে পুতিনের সাথে তার একটি বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু মস্কো তাতে রাজি হয়নি।

গতকাল সম্মেলনে পৌঁছে ট্রাম্প ইউক্রেন বিষয়ে আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘জি-৭ বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে হয়তো আমরা কিছু একটা করতে পারি।’ তিনি জেলেনস্কি ও পুতিন, উভয় নেতার সাথেই ফোনে কথা বলেছেন বলে জানান। ট্রাম্প বলেন, ‘তারা দুজনই এতে আগ্রহী। গতকাল আমি দু’টি খুব ভালো আলোচনা করেছি।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানাননি।

‘বর্বরোচিত’ হামলার নিন্দা

জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের অধিবেশনের আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, যুক্তরাজ্য ইউক্রেনের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরবরাহ করবে এবং একই সাথে রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে। রাশিয়ার ‘বর্বরোচিত হামলার’ নিন্দা জানিয়ে স্টারমারের দফতর থেকে আরো বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্য ‘পুতিনের যুদ্ধের জ্বালানি জোগানো আয়ের উৎস বন্ধ করে দিচ্ছে এবং আসন্ন শীতকালে ইউক্রেনকে শক্তি দিয়ে সহায়তা করছে’।