বাগমারা (রাজশাহী) সংবাদদাতা
রাজশাহীর বাগমারার নন্দনপুর টেকনিক্যাল ভোকেশনাল স্কুল অ্যান্ড বিএম কলেজের ল্যাব সহকারী আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে এক বছর ধরে কলেজে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত সরকারি বেতন-ভাতা তোলার অভিযোগ উঠেছে। প্রতারণা ও চেক জালিয়াতি মামলায় ছয় মাসের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামি গ্রেফতারের ভয়ে বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আইয়ুব আলী স্থানীয় আব্দুল মজিদ নামের এক ব্যক্তিকে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। পরে টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে একটি ব্যাংক চেক দেন তিনি, যা ব্যাংকে জমাদানের পর ডিজঅনার হয়। এ ঘটনায় ২০২০ সালে আদালতে মামলা হলে গত বছরের ৬ জুন আইয়ুব আলীকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও চেকে উল্লেখিত সমপরিমাণ টাকা পরিশোধের আদেশ দেন আদালত। রায়ের পর থেকেই তিনি পলাতক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এক বছর ধরে কলেজের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না থাকলেও কলেজ কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে নিয়মিত বেতন তুলে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করছেন আইয়ুব আলী। এ ঘটনায় তার শাস্তি ও চাকরি থেকে বরখাস্তের দাবিতে জেলা প্রশাসক ও ইউএনও বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান বলেন, তিনি অসুস্থতার ছুটি নিয়ে আত্মগোপন করে আছেন। তবে তার বেতন বন্ধের কোনো সরকারি আদেশ এখনো পাইনি। বাগমারা ইউএনও সেলিম আহম্মেদ জানান, তদন্ত সাপেক্ষে চলতি মাস থেকেই ওই ল্যাব সহকারীর বেতন-ভাতা বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।



