লোহাগড়া (নড়াইল) সংবাদদাতা
নড়াইল-২ আসনে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের আওতায় বিতরণ করা শাড়ি ও নগদ অর্থ নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে। উপকারভোগীদের অভিযোগ, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী এক হাজার টাকা করে পাওয়ার কথা থাকলেও অনেকেই শুধু শাড়ি পেয়েছেন, নগদ অর্থ পাননি। একই সাথে বিতরণকার্যক্রমে মাস্টাররোল ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা সংরক্ষণ না করার অভিযোগও উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদুল ফিতর ২০২৬ উপলক্ষে নড়াইল-২ সংসদীয় আসনের জন্য ১০ লাখ টাকা নগদ অর্থ ও ৭০০টি শাড়ি বরাদ্দ দেয়া হয়। এর মধ্যে লোহাগড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার জন্য বরাদ্দ ছিল পাঁচ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। সে অনুযায়ী ৫৫৮ জনকে এক হাজার টাকা করে দেয়ার কথা থাকলেও অনেক উপকারভোগী অভিযোগ করেছেন, তারা শুধু শাড়ি পেয়েছেন।
সরেজমিন বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অনেক অসহায় নারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের শাড়ি দিয়েছে, কিন্তু টাকা দেয়নি।’ স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক জায়গায় স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা ছাড়াই নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। কোথাও কোথাও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে প্রকৃত দরিদ্রদের বাদ দিয়ে নিজেদের লোকজনের মধ্যে সহায়তা বিতরণের অভিযোগও রয়েছে।
নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বাচ্চু বলেন, নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী উপহার বিতরণ করা হয়েছে। তবে বিতরণ নিয়ে অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।



