নিজস্ব প্রতিবেদক
সংসদীয় প্রক্রিয়ায় থাকা কোনো অধ্যাদেশ হারিয়ে যায়নি, বরং সেগুলো বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ায় আইন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন সরকারের নীতিনির্ধারকগণ। গতকাল রোববার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম যৌথভাবে করা সংবাদ সম্মেলন থেকে এই ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গত ১২ মার্চ শুরু হওয়া দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ১৩৩টি অধ্যাদেশ উপস্থাপনের যে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ছিল, তা যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে বিল আকারে পেশ করার সময় সংখ্যাগত যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়েছে, তা মূলত আইনি একীভূতকরণের ফল। নীতিনির্ধারকগণ স্পষ্ট করেছেন যে, অনেক ক্ষেত্রে একটি মূল অধ্যাদেশ জারির পর তার ওপর একাধিক সংশোধনী আনা হয়। সংসদে বিল আকারে পেশ করার সময় মূল অধ্যাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট সব সংশোধনীকে একীভূত করে একটি একক বিল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। ফলে ৯১টি বিলের কথা উল্লেখ করা হলেও এর মধ্যেই বাকি ১৭টি সংশোধনী অধ্যাদেশ আত্তীকৃত রয়েছে।
অধিবেশনের সময়সীমা নিয়ে ব্যাখ্যায় বলা হয়, মাঝখানে ঈদের দীর্ঘ ছুটির কারণে সংসদের কার্যদিবস অনেক কমে গিয়েছিল। ২৯ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত পাওয়া মাত্র ১২-১৩ দিনের মধ্যে এই বিশাল আইনি ড্রাফটিং ও মুদ্রণের কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে। এই সময়ে আইন মন্ত্রণালয়, সংসদ সচিবালয় এবং বিজি প্রেসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিরবচ্ছিন্ন শ্রম দিয়েছেন। মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিগুলো গঠিত না হওয়ায় স্পিকারের বিশেষ নির্দেশনায় গঠিত একটি কমিটি এই অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনা করেছে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ৯৮টি অধ্যাদেশ অপরিবর্তিত অবস্থায় পাসের জন্য এবং ১৬টি অধ্যাদেশ অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তালিকায় রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ১৫টি অধ্যাদেশ রহিত ও হেফাজতকরণের জন্য সংসদীয় প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিল এবং গুমবিরোধী অধ্যাদেশের মতো সংবেদনশীল আইনের বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার কোনো ত্রুটিপূর্ণ আইন তাড়াহুড়ো করে পাস করতে চায় না। জুলাই স্মৃতি জাদুঘর আইনের কিউরেটরের অপসারণ বা পদত্যাগ-সংক্রান্ত বিধানগুলো আরো যুক্তিসঙ্গত করতে পরবর্তী অধিবেশনে সংশোধিত আকারে বিল আনার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া গুম ও মানবাধিকার-সংক্রান্ত তদন্তের ক্ষেত্রে যেন একাধিক সংস্থার কারণে বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত না হয় এবং তদন্তের মান বজায় থাকে, সেজন্য স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে আইনগুলোকে আরও সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
বিরোধী দলের আপত্তির প্রেক্ষিতে জানানো হয়, সংসদীয় বিধি অনুযায়ী স্পিকারের সময় মার্জনা করার বিশেষ এখতিয়ার রয়েছে। বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করলেও সরকার তাদের প্রতিটি নোট অফ ডিসেন্ট এবং বক্তব্য ধৈর্য সহকারে শুনেছে। সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, রাজনৈতিক তাড়াহুড়ো নয়; বরং সর্বোচ্চ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এবং আইনগুলোকে ত্রুটিমুক্ত রাখতেই এই সময় ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। প্রতিটি অধ্যাদেশই বর্তমানে সুনির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে এবং কোনোটিই কার্যতালিকা থেকে বাদ পড়েনি।
গণভোট নিয়ে বিরোধী দল আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে, এটা কেন সংসদে অনুমোদন হয়নি এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এটা তো ফ্যাক্টাম ভ্যালেট, এটা ঘটনাক্রমে সিদ্ধ। অধ্যাদেশ জারি হয়েছে গণভোট অধ্যাদেশ। গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সেটার বৈধতা আছে।’ তিনি বলেন, এটার বিষয়ে নতুন করে আইন করে— আগামীতে তো এর ওপরে কোনো গণভোট হবে না। ভবিষ্যতে যদি কোনো গণভোট করতেই হয়, আইদার (দু’টির মধ্যে যে কোনো একটি) সাংবিধানিক গণভোট হবে আর্টিকেল ১৪২ অনুসারে, অথবা যদি সংবিধানের বাইরে, যেহেতু সংবিধানে এমন কিছু বলা নাই যে, আর কোনো গণভোট কোনো বিষয়ে করতে পারবে না সরকার চাইলে। সুতরাং সেটা যদি করতে চায় অন্য কোনো বিষয়ে, সেটা আলাদা একটা আইন করতে হবে... সুতরাং এটা হুমকি দেয়ার কোনো বিষয় নাই। এটার বৈধতা তো আছেই। অবৈধ তো বলছি না।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে যখন বিগত গভর্নমেন্টের (অন্তর্বর্তী সরকার) সকল কর্মকাণ্ডকে, দুই-একটা বাদে বৈধতা দেয়া হবে তখন সেটা লেজিটিমেট (বৈধ) হয়ে যাবে।’
বিরোধী দলের আন্দোলনের হুমকির প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গণভোট নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা নিয়ে আদালতে বিষয়টি বিচারাধীন রয়েছে এবং আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।
সরকার গণভোটসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বিষয়ে স্বচ্ছতা বজায় রেখে এগোচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো তৈরি করা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ বিশেষ করে রাষ্ট্রপতি, নির্বাহী ক্ষমতা ও সংশোধন-সংক্রান্ত বিধান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছিল এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এর আগেও একটি গণভোট অধ্যাদেশ জারি এবং সেই অনুযায়ী গণভোট অনুষ্ঠিত হয় এবং তার আইনি বৈধতা ও সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এ কারণে ভবিষ্যতে গণভোট আয়োজন করতে হলে তা সংবিধানের কাঠামোর মধ্যেই করতে হবে। সংবিধানের বাইরে কোনো গণভোট হলে তা আইনি জটিলতায় পড়তে পারে। সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংশোধনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের আগে গণভোটের বিধান যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় আনা হচ্ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে যদি গণভোট আয়োজন করতে হয়, তাহলে তা হয় সংবিধানসম্মতভাবে, নয়তো আলাদা আইন প্রণয়নের মাধ্যমে করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১১০টি অধ্যাদেশকে ৯১টি বিলের মাধ্যমে সংসদে উত্থাপন ও পাস করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯৭টি অধ্যাদেশ হুবহু, ১৩টি সংশোধিত আকারে এবং ৭টি অধ্যাদেশ রহিতকরণ ও হেফাজত বিল হিসেবে পাস হয়েছে। বাকি ১৬টি অধ্যাদেশ এই মুহূর্তে উত্থাপন না করে অধিকতর পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মূলত মূল অধ্যাদেশ ও এর পরবর্তী সংশোধনীগুলোকে একীভূত করে বিল আকারে আনার কারণে সংখ্যার এই পরিবর্তন হয়েছে, যা সম্পূর্ণ একটি নিয়মিত সংসদীয় প্রক্রিয়া।
আইনমন্ত্রী বিশেষ জোর দিয়ে বলেন যে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত বিলগুলোর প্রস্তাবনা বা প্রিমবেলেই স্পষ্টভাবে অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এটি সরকারের স্বচ্ছতার বহিঃপ্রকাশ এবং এর মাধ্যমে জাতির কাছে সংসদীয় প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সাথে পরামর্শ করে এগুলোকে আরো সমৃদ্ধ করা হবে। তিনি বলেন, যারা এগুলো বাদ দেয়া হয়েছে বলে দাবি করছেন তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, কারণ রহিতকরণ বিল হলেও এগুলো এখন নিয়মিত আইনের অংশ এবং প্রক্রিয়ার মধ্যেই রয়েছে। বিশেষ করে গুম কমিশন ও আইসিটি অ্যাক্টের মধ্যে সংজ্ঞাগত যে অস্পষ্টতা বা ‘অ্যাম্বিগুটি’ রয়েছে তা নিরসন করা জরুরি। গুমের শিকার পরিবারগুলো যেন আইনি জটিলতায় পড়ে বছরের পর বছর আদালতের দ্বারে ঘুরতে না হয়, সেজন্যই সরকার গুম কমিশন ও মানবাধিকার কমিশন আইনকে আরও সুনির্দিষ্ট করতে চায়।
বিদ্যমান মানবাধিকার কমিশন আইনের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, এই আইনে জরিমানা বা ক্ষতিপূরণের সুনির্দিষ্ট কোনো গাইডলাইন নেই। এ ছাড়া একই সংস্থা যখন কোয়াজাই-জুডিশিয়াল অথরিটি হিসেবে শোনানি করে আবার নিজেই মামলার বাদি হয়, তখন অপরাধীরা সে আইনি দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে। ২০০৭-২০০৯ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সেই সময়ে ১২২টি অধ্যাদেশের মধ্যে মাত্র ৫৪টি আইনে পরিণত হয়েছিল এবং বাকিগুলো ল্যাপস করেছিল। সে তুলনায় বর্তমান রাজনৈতিক সরকার ১১৭টি অধ্যাদেশকে ইতোমধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে। বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ড. শাহদীন মালিকের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি আরো বলেন যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় গণহারে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারির মৌলিক প্রয়োজনীয়তা নিয়ে যৌক্তিক প্রশ্ন থাকলেও সরকার অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সাথে সেগুলো নিয়মিত করার কাজ করছে। আগামী ১৫ মের পর মানবাধিকার কমিশন আইনসহ অন্যান্য আইন নিয়ে অংশীজনদের সাথে আলোচনার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
জাতীয় সংসদে অধ্যাদেশ থেকে বিলে রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় কোনো আইনি ব্যত্যয় ঘটেনি; বরং সময়ের প্রচণ্ড সীমাবদ্ধতা ও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণেই কিছু বিল অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম।
চিফ হুইপ জানান, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ বসার ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশগুলো নিষ্পত্তি করার যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তা প্রতিপালনে সরকার বদ্ধপরিকর ছিল। তবে ১২ মার্চ সংসদ শুরু হলেও মাঝখানে শবেকদর ও ঈদের লম্বা ছুটির কারণে প্রকৃত কার্যদিবস পাওয়া গিয়েছিল মাত্র ১২-১৩ দিন। এই স্বল্প সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা ও প্রায় ৯০০ কপি করে বিল প্রস্তুত করা ছিল একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। তিনি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, এ বিলগুলো সময়মতো উপস্থাপনের জন্য টানা কয়েক রাত তাদের নির্ঘুম কাটাতে হয়েছে।
বিরোধ দলের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংসদীয় রীতির বাইরে গিয়েও বিরোধী সদস্যদের বিলের ওপর দীর্ঘ সময় বক্তব্য দেয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন স্পিকার। গুমবিরোধী ও মানবাধিকার-সংক্রান্ত আইনগুলো তাড়াহুড়ো করে পাস না করার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই না কোনো দুর্বল বা হালকা আইন পাস হোক। আমরা গুমের শিকার পরিবারগুলোর জন্য সর্বোচ্চ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে স্বচ্ছ ও শক্তিশালী আইন করতে চাই।’
গণভোট অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট-সংক্রান্ত কিছু আদেশ বর্তমানে হাইকোর্টে রিট আবেদনের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির সাংবিধানিক এখতিয়ার এবং সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সংবিধান স্পর্শ করে এমন কোনো বিধান অধ্যাদেশের মাধ্যমে করা সম্ভব নয়। অতীতের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উদাহরণ দিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, আগের সংসদ অনেক অধ্যাদেশ সরাসরি বাতিল করেছিল, কিন্তু বর্তমান সরকার প্রতিটি বিল অধিকতর যাচাই ও স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে পুনরায় আনার আনুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি বা ‘কমিটমেন্ট’ দিয়েছে। জনগণের কল্যাণ ও আইনি স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।



