জনপ্রিয় সংবাদ পাঠিকা ফারহানা ন্যান্সি

Printed Edition

বিনোদন প্রতিবেদক

বাংলাদেশের সংবাদ পাঠিকাদের মধ্যে এই সময়ে অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদ পাঠিকা ফারহানা ন্যান্সি। বলা যেতে পারে তিনি একাধারে একজন রিপোর্টাও, নিউজ প্রেজেন্টার এবং উপস্থাপিকাও। এই সময়ে যারা সাংবাদিকতায় নিজেদের পেশাগত জীবন গড়তে চান বিশেষত মেয়েরা তাদের কাছে এক অনুপ্রেরণার ৭১ টিভিতে এই সময়ে একজন স্পেশাল করসপন্ডেন্ট ও নিউজ প্রেজেন্টার হিসেবে কর্মরত ফারহানা ন্যান্সি। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অনার্সে তৃতীয় বর্ষে পড়াশোনাকালীন তিনি দৈনিক যায়যায়দিনে ফিচার লেখার মধ্যদিয়ে প্রিন্ট মিডিয়ার একজন সাংবাদিক হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয়। সেখানে তিন-চার মাস কাজ করার পর বাংলাদেশের পাঠকপ্রিয় জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোতে প্রদায়ক হিসেবে তিন বছর কাজ করেন। অবশ্য প্রথম আলোতে প্রদায়ক হিসেবে কাজ করার সময়েই ন্যান্সি ২০১০ সালের ডিসেম্বরে সময় টিভিতে যোগ দেন নিউজম্যান হিসেবে, যেখানে তাকে রিপোর্টার ও নিউজ প্রেজেন্টার হিসেবে কাজ করতে হতো। একজন সাংবাদিক হিসেবে সময় টিভিতে থাকাবস্থায়ই বেশ সুখ্যাতি লাভ করেন তিনি। ২০১৪ সালে তিনি যুমনা টিভিতে যোগ দেন রিপোর্টার ও নিউজ প্রেজেন্টার হিসেবেই। দীর্ঘ এক যুগ যমুনা টিভিতেই কাটিয়ে দেন তিনি। একজন সাংবাদিক হিসেবে যুমনা টিভির সময় কালটাই ফারহানা ন্যান্সির সাংবাদিকতা জীবনের সবচেয়ে সফলতার সময়। দেশে বিদেশে একজন সাংবাদিক হিসেবে বিশেষত যমুনা টিভির সাংবাদিক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। অনেকেই তার মতো হবার স্বপ্ন দেখেন। প্রিয় যমুনা টিভি ছেড়েও কয়েক মাস আগে ফারহানা ন্যান্সি যোগ দিয়েছেন ৭১ টিভিতে। সেখানে তিনি স্পেশাল করসপন্ডেন্ট ও নিউজ প্রেজেন্টার হিসেবে কাজ করছেন। ঠিক কতদিন এই চ্যানেলে কাজ করবেন তার কোনো হিসাবে নেই। তবে নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্বটুকু তিনি শতভাগ সততার সাথে পালন করতে চান।

এদিকে আজ তার জন্মদিন। ফারহানা ন্যান্সি বলেন, ‘আমি জনস্বার্থে আজীবন সাংবাদিকতা করে যেতে চাই। শতভাগ সততার সাথে নিজের পেশাগত দায়িত্ব পালন করে যেতে চাই। আর জন্মদিনে সবার কাছে দোয়া চাই আল্লাহ যেন সুস্থ রাখেন ভালো রাখেন।’

ফারহানা ন্যান্সি রাজধানীর মতিঝিল মডেল হাইস্কুল থেকে এসএসসি, ভিকারুন্নেসা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। ন্যান্সির একমাত্র সন্তান মো. আয়মান আনাম রায়াত। ন্যান্সি ভ্রমণ করতে ভালোবাসেন, বলা যায় এটা তার শখ। দেশের মধ্যে বহু জেলায় এবং দেশের বাইরে ভারত, থাইল্যান্ড, নেপাল, ভুটানেও ঘুরে বেড়িয়েছেন তিনি।