নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, কারো কোনো দোষ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক। কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করে হাসপাতাল বন্ধ করে দেয়া কাম্য নয়।
সামাজিক যোগাযাগ মাধ্যম ফেসবুকের ভেরিফাইড পেজে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াত আমির লেখেন, সম্প্রতি আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয়জন নবজাতকের মৃত্যু হলে আমরা সবাই এ ঘটনায় গভীর দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করি। ঘটনাটি অবশ্যই অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকার হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করেছে। এটি মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি। তদন্তের মাধ্যমে কোনো অবহেলা, ত্রুটি কিংবা অপরাধ চিহ্নিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার বিধান রয়েছে। তা না করে যে হাসপাতালটি ‘গরিবের হাসপাতাল’ নামে পরিচিত এবং মানসম্মত সেবার মাধ্যমে জনগণের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল, তারই লাইসেন্স বাতিল করে দেয়া হলো। শেষ পর্যন্ত এর ক্ষতি জনগণেরই হলো।
বিরোধী দলীয় নেতা লেখেন, এটি একটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। এখানে সম্ভবত ৪০০-৫০০ মেডিক্যাল শিক্ষার্থী লেখাপড়া করেন। এর পাশাপাশি নার্সিং কোর্সও চালু রয়েছে। এখন তারা যাবেন কোথায়? শিক্ষার্থী ও জনগণের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা উচিত।
শিবির নেতা অপহৃত হওয়ায় উদ্বেগ : বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির গতকাল বিকেলে তার ফেসবুকের আরেক পোস্টে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক জিসান আহমেদ অপহৃত হওায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি লেখেন, ১১ জুন রাতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক জিসান আহমেদ অপহৃত হয়েছেন। ১৮ ঘণ্টা অতিক্রম হওয়ার পরও তিনি এখন পর্যন্ত উদ্ধার না হওয়ায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কী করছে? অতি দ্রুত তাকে উদ্ধার করে তার আপনজনদের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হোক।



