প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্য দূর করে সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কোটা পুনর্বহাল দাবিতে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে জেলা প্রতিনিধি সম্মেলন অনুুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মো: মিজানুর রহমান সরকার বলেন, সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রাপ্তির হার যথাক্রমে ৮০ ও ২০ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করার ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, দেশে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, মাদরাসা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছে। ফলে বৃত্তি পরীক্ষায় তাদের জন্য সীমিত কোটা নির্ধারণ করা হলে মেধাবী ও যোগ্য শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ বৃত্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।
বক্তারা বলেন, ইউনিয়ন এর ওয়ার্ড কোটায় বাতিল হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্যোগ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় দেশের সব শিক্ষার্থীর জন্য সরকারি ও বেসরকারি নির্বিশেষে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
সম্মেলনে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে চার দফা দাবি জানানো হয়-
১. উচ্চ আদালতের আদেশের আলোকে সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর সাম্যতার ভিত্তিতে বৃত্তি প্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
২. সিটি করপোরেশন ও জেলা শহরে থানা শিক্ষা অফিসের অধীনে একাধিক থানা শিক্ষা থানার পরিবর্তে প্রশাসনিক থানা কোটাকেই বৃত্তির ইউনিট হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
৩. সব শিক্ষার্থীর ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইউনিয়ন/ওয়ার্ড কোটা পুনর্বহাল করতে হবে।
৪. বিষয়-ভিত্তিক ক্লাস্টার ট্রেনিংয়ে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সুযোগ দিতে হবে।
অনুষ্ঠানের আরো বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি রেহানা আখতার, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মাজেদ, যুগ্ম মহাসচিব মো: ফারুক হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন নাহার, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ হামিদুর রহমান, শিক্ষা সম্পাদক মো: আবদুল আলীম, প্রচার সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র শিকদার, সাহিত্য সম্পাদক হাসিনা আক্তারসহ জেলা ও উপজেলার নেতারা। বিজ্ঞপ্তি।



