বার কাউন্সিলের প্রথম ধাপের পরীক্ষায় জাইমা রহমানসহ উত্তীর্ণ ৯২০১

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) প্রথম ধাপের এমসিকিউ (নৈর্ব্যক্তিক) পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন বেগম খালেদা জিয়ার নাতনী ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একমাত্র মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এবার আইনজীবী হওয়ার প্রথম ধাপে সারা দেশ থেকে মোট ৯ হাজার ২০১ জন পরীক্ষার্থী কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এর মধ্যে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের মেয়ে ব্যারিস্টার আদিবা রুহুলও রয়েছেন।

শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে দেয়া এক পোস্টে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান নিজেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার তথ্যটি নিশ্চিত করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘নিজের মাতৃভূমিতে আইন প্র্যাক্টিস করার লক্ষ্যে আজ আমি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের প্রথম ধাপ এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলাম। মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পেরেছি।’ জাইমা রহমানের এই অর্জনের খবর প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মহলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে ভাসছেন তিনি।

বার কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে, এবারের প্রতিযোগিতামূলক এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সারা দেশ থেকে মোট ৩৭ হাজার ৮০ জন আবেদন করেছিলেন। ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর রাতেই উত্তীর্ণদের তালিকা বার কাউন্সিলের নিজস্ব ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়।

আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশে আইনি প্র্যাক্টিস বা তালিকাভুক্ত হতে হলে একজন প্রার্থীকে পর্যায়ক্রমে এমসিকিউ, লিখিত এবং মৌখিক (ভাইভা) এই তিনটি ধাপের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।

বার কাউন্সিলের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী একবার লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তিনি পরবর্তী তিনবার সরাসরি মৌখিক পরীক্ষার জন্য বিবেচিত হন। বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটি এই পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত ও তদারকি করে থাকে। প্রথম ধাপের এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এখন পরবর্তী লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেবেন। চূড়ান্তভাবে মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রার্থীরা দেশের নিম্ন আদালত, জেলা আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনালে সরাসরি আইন পেশায় নিয়োজিত হওয়ার আইনি সুযোগ পাবেন।