ব্যায়াম ভালো রাখে মস্তিষ্ক

Printed Edition

ব্যায়াম মানেই শুধু বডি বানানো বা ওজন কমানো নয়, এটি মানুষের মস্তিষ্ককে তরুণ রাখারও এক মহৌষধ। স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত ভারোত্তোলন বা শক্তিবর্ধক ব্যায়াম করলে মস্তিষ্ক অকাল বার্ধক্য থেকে রক্ষা পায়। চলুন, জেনে নেয়া যাক জিম করার আরো উপকারিতা।

মস্তিষ্ককে তরুণ রাখে : নিয়মিত স্ট্রেংথ ট্রেনিং করলে মস্তিষ্কের বয়স প্রায় দুই বছর পর্যন্ত কমিয়ে ফেলা সম্ভব; অর্থাৎ শরীরের সাথে সাথে আপনার মনও দীর্ঘকাল সতেজ থাকে।

বুদ্ধি ও মনোযোগ বাড়ায় : ভারোত্তোলন করলে মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে। এতে জটিল সিদ্ধান্ত নেয়া সহজ হয়। স্মৃতিশক্তি উন্নত হয়। যেকোনো কাজে মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা বাড়ে।

নিউরনের জন্য ‘সার’ হিসেবে কাজ করে : ব্যায়াম করার সময় শরীরে বিশেষ কিছু রাসায়নিক তৈরি হয় (যেমন- বিডিএনএফ), যা অনেকটা গাছের সারের মতো কাজ করে। এটি মস্তিষ্কের কোষগুলোকে সজীব রাখে এবং নতুন কিছু শেখার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

মানসিক স্বচ্ছতা ও সুরক্ষা : শরীরের ভেতরকার প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। নিয়মিত রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং এই প্রদাহ কমিয়ে দেয়, ফলে ‘ব্রেইন ফগ’ বা মানসিক অস্পষ্টতা দূর হয় এবং বার্ধক্যজনিত রোগ থেকে মস্তিষ্ক সুরক্ষিত থাকে।

কিভাবে ব্যায়াম করবেন : মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে প্রতিদিন জিমে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ভারতের হায়দরাবাদের অ্যাপোলো হাসপাতালের স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: সুধীর কুমারের পরামর্শ হলো, জিম করা উচিত সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন। ধরন হলো, স্কোয়াট বা ডেডলিফটের মতো সাধারণ কিন্তু কার্যকর ব্যায়াম। আর ব্যায়ামগুলো যেন একটু চ্যালেঞ্জিং হয়, কারণ চ্যালেঞ্জ ছাড়া মস্তিষ্কের উন্নতি হয় না। ইন্টারনেট।