মাছ বাঙালির খাদ্যতালিকার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে সব খাবারের মতো মাছও সবার জন্য সমান উপযোগী নয়। যেমন-
ইউরিক এসিড বেশি থাকলে : যাদের শরীরে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেশি, তাদের অল্প পরিমাণে মাছ খাওয়া উচিত। বিশেষ করে কিছু সামুদ্রিক ও তেলযুক্ত মাছ। কারণ এতে গেঁটে বাতের সমস্যা বেড়ে গিয়ে জয়েন্টে ব্যথা ও ফোলাভাব দেখা দিতে পারে।
লিভার রোগী : লিভারের সমস্যা থাকলে দূষিত বা অপরিষ্কারভাবে সংরক্ষিত মাছ খেলে ঝুঁকি বাড়ে। তাই এ ক্ষেত্রে নিরাপদ ও ভালোভাবে রান্না করা মাছ বেছে নেয়া জরুরি।
গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী : সোর্ডফিশ, কিং ম্যাকেরেল বা বড় টুনা মাছে উচ্চমাত্রার পারদ থাকে, তাই গর্ভাবস্থায় এগুলো না খাওয়াই ভালো। খেলে ভ্রƒণের মস্তিষ্কের বিকাশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রেও একই সতর্কতা রাখতে হবে।
শিশুদের ক্ষেত্রে : ১০-১১ বছরের কম বয়সী শিশুদের শরীর পারদের প্রভাবে বেশি সংবেদনশীল। অতিরিক্ত মাছ খেলে তাদের মস্তিষ্কের বিকাশে প্রভাব পড়তে পারে। তাই শিশুদের জন্য অল্প পরিমাণে নিরাপদ মাছই উপযুক্ত।
অ্যালার্জি থাকলে : যাদের সামুদ্রিক খাবারে অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের জন্য মাছ খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। এতে ত্বকে ফুসকুড়ি, চুলকানি, ফোলাভাব কিংবা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা : যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের কাঁচা বা আধাসিদ্ধ মাছ খাওয়া উচিত নয়। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
এ ছাড়া যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান, তাদের মাছ খাওয়ার আগে সচেতন হওয়া দরকার। মাছে থাকা ওমেগা-৩ রক্ত আরো পাতলা করতে পারে, যা অতিরিক্ত রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ায়। ইন্টারনেট।



