ব্রাজিলের বিশ্বকাপ ম্যাচ। এই ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়ামে তো উপস্থিত থাকবেনই দলটির সাবেক বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলাররা। গতকাল ম্যাট লাইফ স্টেডিয়ামে ছিলেন ২০০২ বিশ্বকাপ জয়ী ব্রাজিল দলের সদস্য রিভালদো, রবার্তো কার্লোস, ড্যানিলসন ও কাফুরা। তবে মিডিয়া সেন্টারে পাওয়া গেল ১৯৯৮ বিশ্বকাপ খেলা লেফট উইংগার ২০০২ বিশ্বকাপ জয়ী ড্যানিলসনকে। খেলোয়াড়ী জীবনের মতো হালকা-পাতলা অছেন। এই প্রজন্মের অনেকেই চেনেন না এই স্কিলফুল সাবেক ফরোয়ার্ডটিকে। তাই মিডিয়া সেন্টারে তার প্রতি উঠতি সাংবাদিকদের তেমন আগ্রহই ছিল না। সিনিয়রদের মিডিয়া কর্মীদেরই এগিয়ে গিয়ে কথা বলা তার সাথে। ২৮ বছর আগে তাকে টিভি পর্দায় দেখেছি। তাই আমিও নিশ্চিত হতে পারছিলাম না তার পরিচয় নিয়ে। তবে অন্য দেশের সিনিয়র সাংবাদিকদের তার প্রতি আগ্রহ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল তিনি বড় কোনো ফুটবলার। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলের ৬৫-৭০ বয়সী ক্রীড়া সাংবাদিক রিকার্ডো আমাকে জানালেন, উনি ব্রাজিলের ফুটবলার ড্যানিলসন। ২০২৩ সালের হ্যাংজু এশিয়ান গেমসের সময় পরিচয় ও সখ্য রিকার্ডোর সাথে। ফলে রিকার্ডোকে বলার পরই তিনি ব্যবস্থা করে দিলেন ড্যানিয়েলসনের সাথে কথা বলার।
মনটা ভালো ছিল না ব্রাজিলের হয়ে ৬১ ম্যাচে ৮ গোল করা ফুটবলারটির। জানান, ‘মনটা ভালো নেই। কিভাবে ভালো থাকবে। ব্রাজিলতো জিততে পারল না মরক্কোর বিপক্ষে।’ কেন তারা জিততে পারল না। কি হয়েছিল সেলেকাওদের? স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল বেটিসে খেলা এই ফুটবলারের জবাব, ‘ব্রাজিলের ফুটবলাররা নার্ভাস ছিল। আসলে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ তো, এই জন্য নার্ভাসনেসটা ভর করেছিল খেলোয়াড়দের ওপর। তবে আগামী ম্যাচগুলোতে তা কেটে যাবে।’
১৯৯৪ সালে এই যুক্তরাষ্ট্রেই বিশ্বকাপ জিতেছিল ব্রাজিল। এবার কি আবার এই দেশে ল্যাতিন দেশটির শিরোপা উৎসব হবে। ড্যানিলসন জানান, আমি কিন্তু আশাবাদী। তবে এ জন্য ফুটবলাররে আরো ভালো খেলতে হবে। আক্রমণভাগকে আরো গোছালো এবং সক্রিয় হতে হবে।
এরপর মরক্কো প্রসঙ্গে বলেন, মরক্কো দারুণ একটা দল। তারা গতবারের সেমিফাইনালস্টি। ভালো ভালো খেলোয়াড় আছে। তারা কিন্তু কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছুঁড়ে দিয়েছিল।
মাত্র দুই বিশ্বকাপ খেলা ড্যানিলসন একটি রেকর্ডের মালিক। তিনিই বদলি হিসেবে সবচেয়ে বেশিবার মাঠে নেমেছিলেন। তা ছয় বার।



