কেরানীগঞ্জে পশুর হাটের জোর প্রস্তুতি

ঝুলে আছে ৪টি হাটের ইজারা

Printed Edition

ঢাকা জেলা প্রতিনিধি

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঢাকার কেরানীগঞ্জে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাটের প্রস্তুতি। এরই মধ্যে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ মডেল থানার আওতাধীন বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ হাটের ইজারা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে উপজেলা প্রশাসন। বেশ কিছু হাট সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হওয়ায় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে। তবে কাক্সিক্ষত দর না ওঠায় এখনো চারটি হাটের ইজারা ঝুলে রয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ইজারা সম্পন্ন হওয়া হাটগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয়েছে আমবাগিচা বালুর মাঠ পশুর হাট। ৫৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকা সরকারি মূল্যের এই হাটটি দরপত্রের মাধ্যমে ৫৯ লাখ ৩৩ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন হাজী মো: আনোয়ার হোসেন। এছাড়া ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা সরকারি মূল্যের মিলিওনিয়ার সিটি পশুর হাটটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন সাইফুল ইসলাম।

অন্যান্য হাটের মধ্যে ২২ লাখ ৮০ হাজার টাকা সরকারি মূল্যের শুভাঢ্যা কনটেনার পোর্ট পশুর হাটটি ২৩ লাখ ১০ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন সেলিম মেম্বার। জিঞ্জিরা পশুর হাটের সরকারি মূল্য ছয় লাখ ২০ হাজার টাকা ধরা হলেও এটি সাত লাখ টাকায় ইজারা পেয়েছেন মোজাদ্দেদ আলী বাবু। অন্যদিকে তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা সরকারি মূল্যের বিসিক শিল্প নগরী পশুর হাটটি চার লাখ ৫০ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন শাহবুদ্দিন।

তবে খারাকান্দি, রাজাবাড়ি, বাঘাসুর ও রসুলপুর বালুর মাঠ পশুর হাটের ক্ষেত্রে সরকারি মূল্য অনুযায়ী উপযুক্ত দর না ওঠায় ইজারা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়নি। এসব হাটের ব্যাপারে দ্রুতই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, ঈদকে সামনে রেখে পশুর হাটগুলোতে সার্বিক শৃঙ্খলা রক্ষা, নিরাপত্তা জোরদার ও যানজট নিয়ন্ত্রণে আগাম প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। একই সাথে হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতেও কাজ চলছে।