চট্টগ্রাম ব্যুরো
চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণের মামলার বিচার প্রক্রিয়া সাত কার্যদিবসে শেষ করেছেন আদালত। আজ বুধবার অষ্টম কার্যদিবসে মামলার রায় ঘোষণা করা হচ্ছে।
গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমার আদালতে রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শুনানি হয়েছে। এরপর আদালত রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন। শুনানিতে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন ট্রাইব্যুনালের পিপি মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ। তিনি বলেন, আসামির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ, সেটা রাষ্ট্রপক্ষে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে আমরা সক্ষম হয়েছি বলে মনে করি। আসামি একজন কোমলমতি শিশুর সাথে যে ঘৃণ্য অপরাধ সংঘটিত করেছে, এর যথোপযুক্ত শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড অবশ্যই কাম্য। তাহলে সমাজে এ ধরনের অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে। আজ অষ্টম দিবসে রায় হলে এটি চট্টগ্রাম আদালতের ইতিহাসে একটি রেকর্ড হয়ে থাকবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
যুক্তিতর্ক শুনানি চলাকালে মামলার একমাত্র আসামি মনির হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
উল্যেখ্য, গত ২১ মে দুপুরে নগরীর বাকলিয়ার নুর হোসেন চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মনিরকে আটক করে এলাকাবাসী। ৩০ বছর বয়সী মনির ওই এলাকার ভাই ভাই ডেকোরেশনের কর্মচারী ছিলেন। তাকে আটকের ঘটনা নিয়ে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল বাকলিয়া। বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে নিজেরাই বিচার করার দাবি তুলেছিল। এই ঘটনায় সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।


